WWW.ANB24.COM

ন্যায়ের কথা বলি

ইরানের সঙ্গে উত্তেজনা বাড়াতে চায় না: মার্কিন রাষ্ট্রদূত

অনলাইন ডেস্ক,

বাগাদে নিযুক্ত মার্কিন রাষ্ট্রদূত ম্যাথিউ টুয়েলার বলেছেন, মধ্যপ্রাচ্য অঞ্চলে বিশেষ করে ইরাকে ইরানের সঙ্গে উত্তেজনা বাড়ানোর কোনো অভিপ্রায় আমেরিকার নেই।

ইরাকের জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা কাসেম আল-আরাজির সঙ্গে এক সাক্ষাতে আমেরিকার রাষ্ট্রদূত এমন মন্তব্য করেন।

ইরাকের সংবাদ সংস্থা নাস নিউজের খবরে বলা হয়েছে, মার্কিন রাষ্ট্রদূত এমন সময় এই বক্তব্য দিলেন যখন গত সোমবার ইরাকের প্রধানমন্ত্রী মুস্তফা আল-কাজেমি ওয়াশিংটনে মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেনের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেছেন। ওই সাক্ষাতে ইরাকে থেকে মার্কিন সেনা প্রত্যাহারসহ দ্বিপক্ষীয় স্বার্থ সংশ্লিষ্ট নানা বিষয়ে আলোচনা হয়েছে।

ইরাকের জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা কাসেম আল-আরাজির সঙ্গে আমেরিকার রাষ্ট্রদূত ম্যাথিউ টুয়েলারের সাক্ষাতে মার্কিন পদস্থ সেনা কর্মকর্তা জেনারেল কালফের্ট উপস্থিত ছিলেন।

ম্যাথিউ টুয়েলার বলেন, ইরানের সঙ্গে স্বাভাবিক কূটনৈতিক সম্পর্ক প্রতিষ্ঠার যেকোনো প্রচেষ্টাকে স্বাগত জানায় তার দেশ। এছাড়া, ইরানের সঙ্গে উত্তেজনা বাড়ানোর কোনো ইচ্ছে ওয়াশিংটনের নেই।

এর আগে গত মঙ্গলবার আল-ইরাকিয়া টিভি চ্যানেলে এক সাক্ষাৎকারে ম্যাথিউ টুয়েলার বলেন, আমরা চাই ইরানের সঙ্গে ইরাকের সম্পর্ক স্বাভাবিক হোক এবং আমরা এই দুই দেশের মধ্যে কোনো জটিলতা সৃষ্টি করতে চাই না।

 

ইরান দীর্ঘদিন ধরে বলে আসছে, ইরাকসহ মধ্যপ্রাচ্যের নিরাপত্তা রক্ষা করার জন্য এ অঞ্চলে মার্কিন সামরিক উপস্থিতির কোনো প্রয়োজন নেই। মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলোই এ অঞ্চলের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে পারবে। পারস্য উপসাগরীয় অঞ্চল থেকে মার্কিন সেনাসহ সকল বিদেশি সেনা প্রত্যাহার করারও আহ্বান জানিয়েছে তেহরান।

গত সোমবার ইরাকের প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে হোয়াইট হাউজে বৈঠকের পর প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন ঘোষণা করেন, এ বছর শেষ হওয়ার আগেই নাগাদ ইরাক থেকে সৈন্যদের ফিরিয়ে নেওয়া হবে। এরপর মার্কিন সৈন্যরা সেদেশে কোনো সামরিক তৎপরতায় অংশ নেবেনা।

১৯৭৯ সালে ইসলামি বিপ্লবের পর থেকে ইরানের অন্যতম প্রধান লক্ষ্য, আশপাশের দেশ ও অঞ্চল থেকে আমেরিকান সৈন্যদের বিদায় করা যাতে; তারাই এই অঞ্চলে প্রধান শক্তি হতে পারে। ইরাক থেকে আমেরিকা সেনা প্রত্যাহারের পর ইরান এই লক্ষে তৎপরতা বৃদ্ধি করবে।

 

%d bloggers like this: