WWW.ANB24.COM

ন্যায়ের কথা বলি

অতিকঠোর লকডাউনের দিকে বাংলাদেশ।

করোনা সংক্রমণ ঠেকাতে সরকারের পূর্ব ঘোষণা অনুযায়ী আগামীকাল শুক্রবার থেকে ৫ আগস্ট পর্যন্ত শুরু হচ্ছে ১৪ দিনের অতি কঠোর লকডাউন।

এর আগে দুই দফায় ১৪ দিনের লকডাউন শেষে ঈদুল আজহা ও কুরবানি উপলক্ষে ৭ দিনের জন্য লকডাউন শিথিল করা হয়েছিল।

আজ বৃহস্পতিবার সকালে জনপ্রশাসন প্রতিমন্ত্রী ফরহাদ হোসেন কাল থেকে শুরু হওয়া লকডাউনকে সবচেয়ে কঠোরতম বিধিনিষেধ হিসেবে আখ্যা দিয়ে জানিয়েছেন আগামিকাল থেকে কঠোরতম বিধিনিষেধ বাস্তবায়ন করা হবে।

তার জন্য সবার সহযোগিতা চেয়ে প্রতিমন্ত্রী বলেন করোনা ভাইরাস সংক্রমণ নিয়ন্ত্রণে স্বাস্থ সচেতনতা ও লকডাউনের বিকল্প নেই। সুতরাং সবাই সহায়তা করবেন।

প্রতিমন্ত্রী ফরহাদ আরো জানান, লকডাউনের কথা যেভাবে ঘোষণা দেওয়া হয়েছে, সেভাবেই এটি কার্যকর করা হবে। কোনো পরিবর্তন করার সুযোগ নেই।

মন্ত্রিপরিষদের নেয়া সিদ্ধান্ত মতে, আগামীকাল শুক্রবার সকাল ৬’টা থেকে ৫ আগস্ট রাত ১২টা পর্যন্ত এই কঠোর বিধিনিষেধ চলমান থাকবে। ঈদের আগের লকডাউনে তৈরি পোষাক ও শিল্প কারখানা খোলা থাকলেও এই কঠোরতম বিধিনিষেধ মতে সেটি আর চালু থাকবেনা।

শিল্পমালিকদের পক্ষ থেকে কারখানা মিল কারখানা চালু রাখার প্রস্তাব রাখা হলেও সরকার সেটি আমলে না নিয়ে মন্ত্রী পরিষদের সিদ্ধান্ত বহাল রাখা হয়েছে।

মন্ত্রিপরিষদ থেকে দেয়া বিবৃতি থেকে বলা হয়েছে, ঈদুল আজহা উদযাপন সহ জনসাধারণের যাতায়াত, ঈদ উদ্দেশ্য করর ব্যবসা বাণিজ্য পরিচালনা, দেশের সামাজিক অবস্থা এবং অর্থনৈতিক অবস্থান স্বাভাবিক রাখার সুবিধার্থে ২৩ জুলাই থেকে বিধিনিষেধ সহ লকডাউন শিথিল করা হলেও কাল ৬’টা থেকে লকডাউন বেশ কঠোর ভাবে হবে।

আগের বারের মত লকডাউন কার্যকর করতে এবারও প্রশাসনের সাথে থাকছে সেনাবাহিনী। কোভিড ১৯ ও চিকিৎসা সংক্রান্ত সহ অতি জরুরি সেবা চালু থাকলেও পরিচয় পত্র দেখাতে হবে কর্ম সম্পাদনের ক্ষেত্রে।

%d bloggers like this: