মোদিবিরোধী বিক্ষোভে ইন্ধন দিচ্ছে বিএনপি : তথ্যমন্ত্রী

তথ্যমন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদ বলেছেন, স্বাধীনতার সুবর্ণ জয়ন্তী উপলক্ষে আগামী ২৬ মার্চ ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির আগমন যে বিক্ষোভ করছে তার পেছনে বিএনপির ইন্ধন রয়েছে। সেটিই বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর ফাঁস করে দিয়েছেন। মোদি কেন বাংলাদেশে আসবেন এমন প্রশ্ন তুলে মির্জা ফখরুল প্রমাণ করেছেন তারা ভারতবিরোধী, তারা বাংলাদেশের উন্নয়ন চায় না।

আজ বুধবার সকাল ১০টায় সাপাহার উপজেলা আওয়ামী লীগ আয়োজিত পাইলট উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে অনুষ্ঠিত ত্রি-বার্ষিক সম্মেলনে ভার্চুয়াল মাধ্যমে তিনি এ কথা বলেন।

তথ্যমন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশের তিন দিকে ভারত বিস্তৃত। দেশকে এগিয়ে নিয়ে যেতে হলে প্রতিবেশী দেশ ভারতের সঙ্গে সুসম্পর্ক রাখতে হবে। স্বাধীনতা যুদ্ধ থেকে শুরু করে এখন পর্যন্ত বাংলাদেশের উন্নয়নে তাদের যথেষ্ট ভূমিকা রয়েছে। ভারতের সঙ্গে সুসম্পর্ক না রেখে আমাদের দেশের উন্নয়ন অগ্রগতি সম্ভব নয়।

মন্ত্রী বলেন, দেশ পরিচালনার ক্ষেত্রে বঙ্গবন্ধু কন্যা শেখ হাসিনার নেতৃত্বে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ পর পর তিনবার মেনডেট পেয়েছে। তার সঠিক নেতৃত্বের কারণেই দেশ আজ নতুন উচ্চতায়। বাংলাদেশ এখন আর দরিদ্র দেশ নয়। এখন মধ্যম আয়ের দেশ। বাংলাদেশ এখন আর খাদ্য ঘাটতির দেশ নয়, খাদ্য উদ্বৃত্তের দেশ। বাংলাদেশ নানা অর্জনের জন্য বিশ্ব সংবাদ হয়, কোনো দুতিনি বলেন, করোনা মোকাবেলায় শেখ হাসিনা যে সফলতা অর্জন করেছেন তা আজ সমগ্র বিশ্বে প্রশংসিত হচ্ছে। তার নেতৃত্বে করোনা মোকাবেলায় উপমহাদেশে বাংলাদেশের স্থান এখন ১ নম্বরে এবং পুরো বিশ্বে ২০ নম্বরে। পাকিস্তানের কাছ থেকে দেশকে স্বাধীন করার যে স্বপ্ন বঙ্গবন্ধু দেখেছিলেন এবং স্বাধীন করেছিলেন সে স্বপ্নকে ধরে রাখতে আজকের এই সম্মেলনে আমাদেরকে প্রতিজ্ঞাবদ্ধ হতে হবে।

সাপাহার উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি শামসুল আলম শাহ এর সভাপতিত্বে সম্মেলনে উদ্বোধনী বক্তব্য দেন কেন্দ্রীয় কমিটির সাংগঠনিক সম্পাদক এস এম কামাল হোসেন এবং প্রধান বক্তার বক্তব্য দেন খাদ্যমন্ত্রী সাধন চন্দ্র মজুমদার।

বিশেষ অতিথি হিসেবে কেন্দ্রীয় কমিটির স্বাস্থ্য ও জনসংখ্যা বিষয়ক ড. রোকেয়া সুলতানা, নওগাঁ জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি আব্দুল মালেক, সাবেক বাণিজ্যমন্ত্রী আব্দুল জলিলের ছেলে নওগাঁ সদর আসনের এমপি ব্যারিস্টার নিজাম উদ্দীন জলিল প্রমুখ।

অনুষ্ঠান শেষে সর্বসম্মতিক্রমে আগামী তিন বছরের জন্য আলহাজ শামসুল আলম শাহ চৌধুরীকে উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি ও মাসুদ রেজা সারোয়ারকে সাধারণ সম্পাদক ঘোষণা করে ৭১ সদস্য বিশিষ্ট সাপাহার উপজেলা আওয়ামী লীগের কমিটি গঠন করা হয়।