বিদেশে উচ্চশিক্ষা নিয়ে চিন্তিত শিক্ষার্থীরা

সাইদুর রহমান মিন্টু
বিজ্ঞাপন

করোনাভাইরাস মহামারীর কারণে ভিসা বন্ধ থাকায় অনেকের উচ্চ শিক্ষার স্বপ্ন ক্রমেই ফিকে হচ্ছে যাচ্ছে। উচ্চ শিক্ষার জন্য বিদেশ গমনেচ্ছু শিক্ষার্থীরা বলছেন, ঢাকার মার্কিন দূতাবাস নতুন শিক্ষার্থীদের ভিসার আবেদন নিচ্ছে না, কবে থেকে নেবে, তাও বলছে না। ফলে তাদের অনিশ্চয়তা কাটছে না।

ভিসা পেতে এই শিক্ষার্থীরা যুক্তরাষ্ট্র দূতাবাস ও বাংলাদেশের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে চিঠি দিয়েছেন। কিন্তু এখনও সাড়া মেলেনি। এর মধ্যে কেউ কেউ তাদের স্কলারশিপ, ফেলোশিপ, অ্যাসিসটেন্টশিপ স্প্রিং সেমিস্টার পর্যন্ত পেছাতে পেরেছেন। কিন্তু দূতাবাস এখনও সাড়া না দেওয়ায় তাদের আগামী জানুয়ারির যাত্রাও অনিশ্চিত হয়ে পড়েছে।

ইউনেসকোর তথ্য অনুযায়ী, উচ্চ শিক্ষার জন্য বাংলাদেশ থেকে বছরে প্রায় ৭০ থেকে ৯০ হাজার শিক্ষার্থী দেশের বাইরে যায়। এর বড় একটি অংশ যায় যুক্তরাষ্ট্রে।

ঢাকার যুক্তরাষ্ট্র দূতাবাসের তথ্য বলছে, দেশটিতে ৪৫০০’র বেশি কলেজ ও বিশ্ববিদ্যালয় রয়েছে। এ সব প্রতিষ্ঠানে গড়ে বছরে ১৫০০০ থেকে ২০ হাজার ডলার টিউশন ফি লাগে। থাকা, খাওয়া-শিক্ষা উপকরণের খরচ তো রয়েছেই।

শফিকুল ইসলাম স্বদেশ ২০১৯ এর ফল সেমিস্টারে ফুল ফান্ড পেয়েছিলেন। কিন্তু ওই সময় ভিসার প্রক্রিয়ায় চার মাস আটকে ছিলেন তিনি। এর মাঝে বাতিল হয়ে যায় তার ফান্ডিং। এবারের ফল সেমিস্টারে আবার ফুল ফান্ড পেয়ে যান তিনি। কিন্তু এখনও ভিসা পাননি তিনি।

সম্প্রতি ভিসা নিয়ে একটি প্রেস ব্রিফিং করেছে ঢাকার যুক্তরাষ্ট্র দূতাবাস। সেখানে কথা বলেন কনসুলার চিফ উইলিয়াম ডোয়ারস। তিনি স্পষ্ট করেই বলেন, নতুন শিক্ষার্থীদের জন্য ভিসার আবেদন তারা এখন গ্রহণ করছেন না।

 

googel
বিজ্ঞাপন