এটা ষড়যন্ত্র, ভাইরাল হওয়া ভয়েসটা আমার না : নিক্সন চৌধুরী

সাইদুর রহমান মিন্টু
বিজ্ঞাপন

চরভদ্রাসন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা জেসমিন সুলতানাকে (ইউএনও) গালিগালাজ করার কথা অস্বীকার করেছেন ফরিদপুর-৪ আসনের সংসদ সদস্য (এমপি) মুজিবর রহমান চৌধুরীর (নিক্সন চৌধুরী)। তার দাবি গত ১০ অক্টোবর ভাইরাল হওয়া ফোনকলের ভয়েজটি তার নয়।

তিনি বলেন, ‘সোশ্যাল মিডিয়াতে শুধু আমার আর ইউএনওর কথা ভাইরাল হয়নি পুলিশ প্রশাসন ও উইএনওর কথাও ভাইরাল হয়েছে। এটা দেশের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র। কোনো একটি মহল এ কাজটা করেছে। সরকারের দায়িত্ব এ মহলকে খুঁজে বের করা।

আজ মঙ্গলবার জাতীয় প্রেসক্লাবের তফাজ্জল হোসেন মানিক মিয়া হলে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ দাবি করেন। তিনি বলেন, আপনারা ইউএনও সাহেবকে জিজ্ঞেস করলেই জানতে পারবেন তাকে আমি গালি দিয়েছি কিনা। সুনির্দিষ্টভাবে প্রমাণ করুন যে, এ ভয়েসটা আমার। এ ক্লিপগুলো একেক জায়গা থেকে কেটে নিয়ে আমাকে হেয় প্রতিপন্ন করার জন্য করা হয়েছে।
নিক্সন চৌধুরী বলেন, প্রথমে আমি এসিল্যান্ডকে ফোন করেছিলাম। তিনি আমাকে ‘আমি দেখতেছি’ বলে ফোন রেখে দেন। এরপর ফোনটা বন্ধ করে দেন। এর পরে আমি আপাকে (ইউএনও) ফোন করে বলেছি, ‘আপা আমার একটা লােক ধরা পড়ছে আপনি একটু দেখেন। সে কোনো অন্যায় করেনি, মাঠে দাঁড়িয়ে সিগারেট খাচ্ছিলো। তাকে বিজিবি ধরে নিয়ে গেছে। আপনি একটু ব্যবস্থা নেন।’ তাকে আমি শুধু এতটুকুই বলেছি। বাকি কোনো কথাই আমার না। ’

মামলা হওয়া প্রসঙ্গে নিক্সন চৌধুরী বলেন, আমি যদি নির্বাচনী আইন ভঙ্গ করি তাহলে পরদিন সকালে ডিসি সাহেব নির্দেশ দিয়ে ইউএনও সাহেবকে কেন আমার বাড়িতে পাঠালেন? ইউএনও কি নির্বাচনকালীন ৪৮ ঘণ্টা সময়ের মধ্যে আমার বাড়িতে আসতে পারেন? তাহলে তো সেও আইন ভঙ্গ করেছেন। আমার কথা হলো, আমি যদি আইন ভঙ্গ করে থাকি তাহলে ডিসি সাহেব আইন ভঙ্গ করেছেন, নির্বাচনী আইন লঙ্ঘন করেছেন। তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া উচিত। আমার বিরুদ্ধে মামলা হলে তবে ডিসির বিরুদ্ধেও মামলা হবে।

তিনি বলেন, ‘উপ-নির্বাচনে যারা পক্ষপাতিত্ব করেছেন তাদের বিচার হোক। আমাকে নিয়ে যে সোশ্যাল মিডিয়ায় সমালোচনা হচ্ছে তারও বিচার হোক।’ সংবাদ সম্মেলনে নিক্সন চৌধুরীর সঙ্গে আরও উপস্থিত ছিলেন ভাঙ্গা উপজেলা প্রাক্তন চেয়ারম্যান শাহাদাত হোসেন, ভাঙ্গা উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ফায়জুর রহমান প্রমুখ।

googel
বিজ্ঞাপন