যশোরে বাসের মধ্যে তরুণী যাত্রীকে সংঘবদ্ধ ধর্ষণের অভিযোগ

যশোরে বাসের মধ্যে এক তরুণী (২৫)  সংঘবদ্ধ ধর্ষণের শিকার হয়েছেন বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। বৃহস্পতিবার গভীর রাতে শহরের মনিহার এলাকার কোল্ডস্টোরের কাছে এ ঘটনা ঘটে। এ ঘটনার সঙ্গে জড়িত থাকার অভিযোগে মনির (৩২) নামে এক পরিবহন শ্রমিকসহ ৬ জনকে আটক করেছে পুলিশ।

ধর্ষণের শিকার তরুণী জানান, বৃহস্পতিবার বিকালে তিনি রাজশাহীর বহদ্দার মোড় থেকে এমকে পরিবহনের একটি বাসে (যশোর-ব-১১-০১২৪) যশোরে আসছিলেন। পথিমধ্যে ওই বাসের সুপারভাইজার তাকে একটি জুস খেতে দেন। জুস খাওয়ার পর তিনি অচেতন হয়ে পড়েন। জ্ঞান ফিরলে তিনি বুঝতে পারেন তাকে ধর্ষণ করা হয়েছে। তিন জন তাকে ধর্ষণ করে বলে তিনি সাংবাদিকদের জানিয়েছেন।

তবে যশোর কোতোয়ালি থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মোহাম্মদ মনিরুজ্জামান বলেন, ‘ঘটনাটি বৃহস্পতিবার দিবাগত গভীররাতে যশোর শহরতলীর মুড়লি মোড় এলাকায় ঘটে। রাতে ওই তরুণী যশোর মণিহার বাসস্ট্যান্ড এলাকায় পৌঁছায়। পরে বাসের হেলপার মনির তাকে সেখানকার একটি হোটেলে নিয়ে রাতের খাবার খায়। খাওয়া সেরে তারা বাসটি নিয়ে শহরতলীর মুড়লি এলাকায় যায় এবং সেখানে গাড়ির ভেতরে অনৈতিক কর্মকাণ্ড করে। বিষয়টি স্থানীয় লোকজন জানতে পেরে তাদের পাকড়াও করে মারধর করে। খবর পেয়ে পুলিশের একটি টহল দল ঘটনাস্থল থেকে তরণীকে উদ্ধার করে যশোর জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করে দেয়। একইসঙ্গে মনিরসহ ৬ জনকে আটক করা হয়েছে।

হাসপাতালের ডা. জাহিদ হাসান হিমেলে জানান, তরুণীর শারীরিক অবস্থা এখন অনেকটা ভালো। তাকে পর্যবেক্ষণে রাখা হয়েছে। তার আলামত সংগ্রহ করা হবে। রিপোর্ট আসার পর মূল ঘটনা জানা যাবে।

আটক মনির যশোর শহরতলীর রাজারহাট এলাকার ওহিদুল ইসলামের ছেলে। আর তরুণীর বাড়ি মাগুরা জেলার শালিখা উপজেলায়।

যশোরের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মোহাম্মদ তৌহিদুল ইসলাম জানান, রাজশাহী থেকে আসা নারীকে ধর্ষণের অভিযোগে বাস কন্ডাক্টর মনির হোসেনসহ ৬ জনকে আটক করা হয়েছে। এ ব্যাপারে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।