হকার-পথচারী কেউ যাতে ক্ষতিগ্রস্ত না হয় সেজন্য নীতিমালা হচ্ছে

সাইদুর রহমান মিন্টু
বিজ্ঞাপন

✍ ডেস্ক রিপোর্ট
স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রী মো. তাজুল ইসলাম বলেছেন, ফুটপাত থেকে হকারদের সরিয়ে নেয়ার বিষয়ে নীতিমাল হচ্ছে। সার্বিক বিষয়টি পর্যালোচনা করে যেটা যৌক্তিক হবে, যাতে উভয়পক্ষের (হকার ও পথচারী) কেউ ক্ষতিগ্রস্ত না হন সেটাই করা হবে। কারণ হকার এবং পথচারী উভয়েই বাংলাদেশের জনগণ।

রোববার (৪ অক্টোবর) দুপুরে মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে এক প্রশ্নের উত্তরে এ কথা বলেন মন্ত্রী।

হকারদের বিষয়ে সুনির্দিষ্ট নীতিমালার বিষয়ে মন্ত্রী বলেন, এখানে যে সকল সীমাবদ্ধতা আছে এবং যে ধরনের অপারচুনিটি আছে, সেগুলো বিবেচনায় রেখে ইতোমধ্যে আমরা কাজ শুরু করেছি এবং পেপার ওয়ার্ক করছি। আশা করি, এ সমস্যাটিও আমরা সমাধান করতে পারব।

আমার গ্রাম আমার শহরকে পাইলট প্রজেক্ট করার জন্য টেকনিক্যাল প্রকল্প হাতে নেয়া হয়েছে জানিয়ে স্থানীয় সরকার মন্ত্রী বলেন, ‘বাংলাদেশকে উন্নত দেশ করতে হলে হাজার হাজার উপকরণ অ্যাড্রেস করতে হবে। তার মধ্যে গ্রামীণ অবকাঠামো, স্বাস্থ্য, শিক্ষা, পানি, পয়োনিষ্কাশন, ওয়েস্ট ম্যানেজমেন্ট। ওয়েস্ট থেকে বিদ্যুৎ উৎপাদনের জন্য আমরা প্রধানমন্ত্রীর কাছ থেকে একটি নির্দেশনা অনুমোদন নিয়েছি। ইতোমধ্যে আমরা কাজও শুরু করেছি। ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনেরটি প্রধানমন্ত্রী অনুমোদন করেছেন এবং প্রাইস নেগোসিয়েশন হয়েছে। এছাড়া দক্ষিণ সিটি ও গাজীপুরেও হচ্ছে। এরপর নারায়ণগঞ্জেও হচ্ছে। সারা বাংলাদেশেই ওয়েস্ট ম্যানেজমেন্ট হবে।’

তিনি আরও বলেন, গ্রামীণ অর্থনীতিকে আমরা অনেক বেশি উর্বর করব। সেখানে ইনকাম জেনারেশনের যে ব্যবস্থা রয়েছে তার চেয়ে অনেক বেশি ইনকাম করার জন্য একটি মাল্টিপল ইনপুট দেয়া হবে। পরিকল্পিতভাবে আমরা এগুলো করার চেষ্টা করছি। যার কারণে সমগ্র বাংলাদেশের অর্থনীতিতে পরিবর্তন আসবে।

মন্ত্রী বলেন, ‘একটা গ্রামকে চিহ্নিত করার জন্য বলেছি। যে গ্রামটাকে চ্যালেঞ্জ হিসেবে নেয়া হবে। আমরা মানুষগুলোকে যদি তার জীবনমানের উন্নতি করতে পারি, রোজগারের ব্যবস্থা করতে পারি, সে যদি মাসে ২০-৩০ হাজার টাকা রোজগার করতে পারে, তাহলে তার জীবনমান উন্নত হবে। এ রকম একটা গ্রাম করব। এটার জন্য স্টাডি করা হচ্ছে।’