২২ আসন পেয়েছে জামায়াত, উন্মুক্ত ২

বিএনপির সঙ্গে শনিবার (৮ ডিসেম্বর) রাতভর আলোচনা আর উত্তেজনা শেষে ২২ আসনই মেনে নিতে হলো জামায়াতকে। তবে জোটগত মনোনয়নের বাইরে দুটি আসনে উন্মুক্ত প্রতিযোগিতা করার বিষয়ে সম্মত হয়েছে বিএনপি। এক্ষেত্রে এই দুটি আসনে বিএনপি ও জামায়াতের প্রার্থীরা পৃথকভাবে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবেন।

জামায়াতের নায়েবে আমির অধ্যাপক মিয়া গোলাম বলেন, ‘আমাদের তো বরাবরই কোরবানি হতে হয়। আমাদের তিনটি সিট কম দিয়েছে। তদবির করার পরও তিনটি দিলো না, ২২টি পেলাম।’

বিএনপি যেসব আসন জামায়াতকে ছাড় দিয়েছে –

১/ ঠাকুরগাঁও-২ -মাওলানা আবদুল হাকিম

২/ দিনাজপুর-১ – মাওলানা মোহাম্মদ হানিফ

৩/ দিনাজপুর-৬ – মোহাম্মদ আনোয়ারুল ইসলাম

৪/ নীলফামারী-২ – মুক্তিযুদ্ধা মনিরুজ্জামান মন্টু

৫/ নীলফামারী-৩ – মোহাম্মদ আজিজুল ইসলাম

৬/ রংপুর-৫ – অধ্যাপক গোলাম রব্বানী

৭/ গাইবান্ধা-১ – মাজেদুর রহমান সরকার

৮/ সিরাজগঞ্জ-৪ – মাওলানা রফিকুল ইসলাম খান

৯/ পাবনা-৫ – মাওলানা ইকবাল হুসাইন

১০/ ঝিনাইদহ-৩ – অধ্যাপক মতিয়ারু রহমান

১১/ যশোর-২ – আবু সাঈদ মুহাম্মদ শাহাদাত হোসাইন

১২/ বাগেরহাট-৩ – অ্যাডভোকেট আবদুল ওয়াদুদ

১৩/ বাগেরহাট-৪ – অধ্যাপক আবদুল আলীম

১৪/ খুলনা-৫ – অধ্যাপক মিয়া গোলাম পরওয়ার

১৫/ খুলনা-৬ – মাওলানা আবুল কালাম আযাদ

১৬/ সাতক্ষীরা-২ – মুহাদ্দিস আবদুল খালেক

১৭/ সাতক্ষীরা-৪ – গাজী নজরুল ইসলাম

১৮/ পিরোজপুর-১ শামীম সাঈদী।

১৯/ ঢাকা-১৫ – ডা. শফিকুর রহমান

২০/ কুমিল্লা-১১ – ডা. সৈয়দ আবদুল্লাহ মো. তাহের

২১/ চট্টগ্রাম ১৫ – আ ন ম শামসুল ইসলাম

২২/ কক্সবাজার-২ – হামিদুর রহমান আযাদ
জামায়াতের নায়েবে আমির অধ্যাপক মিয়া গোলাম পরওয়ার বলেন, ‌‘আমরা ২২টি আসনে চূড়ান্ত মনোনয়নের চিঠি পেয়েছি। শুরুতে ২৫টি আসন দেওয়ার কথা হয়েছিল। এখন ৩টি কমে গেছে। কিন্তু এই তিনটি আসনই আমাদের জন্য গুরুত্বপূর্ণ। এখন এসব আসন নিয়ে আলোচনা চলছে। আমার জানা মতে, আরও কিছু আসনে স্বতন্ত্র প্রার্থী করার বিষয়েও আলোচনা হচ্ছে।’