প্রণোদনার নামে মিথ্যাচার করছে সরকার: আমীর খসরু

সাইদুর রহমান মিন্টু
বিজ্ঞাপন

করোনাকালে বিভিন্ন খাতের জন্য সরকার ঘোষিত প্রণোদনাকে ঋণনির্ভর আখ্যা দিয়ে বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী বলেছেন, এখন দায়সারা রাজনীতির দিন শেষ। কারণ নতুন প্রজন্ম প্রতারণার রাজনীতি চায় না। বর্তমান সরকার যে প্রণোদনা ঘোষণা করেছে সেটা সম্পূর্ণ ব্যাংকের ঋণের ওপর নির্ভরশীল। আসলে সরকার প্রণোদনার নামে জনগণের চোখে ধুলা ছিটিয়ে মিথ্যাচার করছে।

বৃহস্পতিবার বিকেলে জিয়াউর রহমান ফাউন্ডেশনের (জেডআরএফ) উদ্যোগে মহামারী করোনাভাইরাসের ভয়াবহ দুর্যোগে ‘করোনা মহামারী: বাংলাদেশে পুষ্টি ও খাদ্য নিরাপত্তা’ শীর্ষক এক ভার্চ্যুয়াল সেমিনারে তিনি এসব কথা বলেন।

তিনি বলেন, বর্তমানে দেশের নতুন ও শিক্ষিত প্রজন্ম পরিবর্তন চায়। তাদের প্রত্যাশা পূরণে আমাদেরকে সে পথেই রাজনীতি করতে হবে। যারা রাজনৈতিকভাবে বেনিফিসিয়ারি তাদের কথাগুলোকে আমলে নিয়ে রাজনীতি করতে হবে। আজকে রাজনীতিতে শিক্ষিত গোষ্ঠী কমছে। সেটাকে ফিরিয়ে আনতে হবে। নতুন প্রজন্ম কিন্তু আপডেট। তাদের চাওয়াগুলোকেও প্রাধান্য দিতে হবে। না হলে এগোনো যাবে না। রাজনৈতিক নীতি বা উদ্দেশ্যটা তাদের কাছে পরিষ্কার করতে হবে। শুধু বড় বড় বক্তব্য দিয়ে ছন্দময় কথা বললে হবে না। এখন সবাই পরিবর্তন চায়।

তিনি আরও বলেন, করোনা পরবর্তী জীবন বদলাবে। অর্থনীতি, সমাজনীতি, রাজনীতি ও পেশার পরিবর্তন ঘটবে। দেশপ্রেমিকের সংজ্ঞাও বদলাবে। সুতরাং যারা করোনা পরিস্থিতিতে কাজ করবে তারাই প্রকৃত দেশপ্রেমিক। ইতোমধ্যে দেশের রাজনীতিতে পরিবর্তন শুরু হয়েছে। বিএনপির রাজনীতিতেও পরিবর্তন শুরু হয়েছে। বিএনপির রাজনৈতিক কাঠামোতে আরো পরিবর্তন আনতে হবে। সবার সহযোগীতায় বিএনপিতে আরো বড় পরিবর্তন আসবে বলে তিনি মন্তব্য করেন। এছাড়া জেডআরএফের এ ধরনের ভার্চুয়াল কর্মকাণ্ডের মাধ্যমে যোগাযোগ অব্যাহত রেখে এগিয়ে যাওয়ার কথা বলেন। এটাই আন্দোলন ও কর্মসূচির অংশ বলে মন্তব্য করেন আমীর খসরু।

জেডআরএফ’র নির্বাহী পরিচালক অধ্যাপক ডা. ফরহাদ হালিম ডোনারের সভাপতিত্বে সেমিনারে আরও বক্তব্য দেন- বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান ও কৃষকদলের আহ্বায়ক শামসুজ্জামান দুদু, কৃষিবিদ ইনস্টিটিউশন বাংলাদেশের (এ্যাব) সাবেক মহাসচিব আনোয়ারুন্নবী মজুমদার বাবলা প্রমুখ।

বিকেল চারটা থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত সেমিনারে অংশগ্রহণ করেন বিএনপির শিক্ষা সম্পাদক অধ্যাপক ড. এবিএম ওবায়দুল ইসলাম, নির্বাহী কমিটির সদস্য ব্যারিস্টার মীর হেলাল, কৃষিবিদ অধ্যাপক ড. আব্দুল করিম প্রমুখ।

googel
বিজ্ঞাপন