প্রবাসী অধিকার পরিষদ মালদ্বীপ শাখার সংবর্ধনা ও আলোচনা সভা

0
500
প্রবাসী অধিকার পরিষদ মালদ্বীপ শাখার সংবর্ধনা ও আলোচনা সভা

‘প্রবাসী প্রবাসী ভাই ভাই, বিভেদ মুক্ত প্রবাস চাই’- এই স্লোগান সামনে রেখে ১৯ আগস্ট শুক্রবার মালদ্বীপের দ্বীপপুসী আইল্যান্ডে অনুষ্ঠিত হলো বাংলাদেশ প্রবাসী অধিকার পরিষদ কেন্দ্রীয় কমিটি কর্তৃক অনুমোদিত মালদ্বীপ শাখার আলোচনা ও সংবর্ধনা অনুষ্ঠান। সংগঠনের কেন্দ্রীয় কমিটির মানবপাচার ও প্রতিরোধ বিষয়ক সম্পাদক জিয়া খানের সভাপতিত্বে ও ইফরাত হোসেনের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে বাংলাদেশ থেকে ভার্চুয়ালি প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক ভিপি নুরুল হক নূর, প্রধান উপদেষ্টা, কেন্দ্রীয় কমিটি, বাংলাদেশ প্রবাসী অধিকার পরিষদ। জার্মানি থেকে ভার্চুয়ালি প্রধান বক্তা হিসেবে বক্তব্য রাখেন ইঞ্জিনিয়ার কবীর হোসেন, সভাপতি, কেন্দ্রীয় কমিটি, বাংলাদেশ প্রবাসী অধিকার পরিষদ।

তিনি প্রবাসীদের যৌক্তিক ১০ দফা দাবি বাস্তবায়নে সব প্রবাসীকে ঐক্যবদ্ধভাবে আওয়াজ তোলার আহ্বান জানান এবং সরকারকে প্রবাসীদের যৌক্তিক ১০ দফা দাবি বাস্তবায়নের জন্য জোর দাবি জানান। বিশেষ বক্তা হিসেবে বক্তব্য রাখেন এসএম সাফায়েত হোসেন, সাধারণ সম্পাদক, কেন্দ্রীয় কমিটি, বাংলাদেশ প্রবাসী অধিকার পরিষদ। বাংলাদেশ থেকে ভার্চুয়ালি আরও বক্তব্য প্রদান করেন সংগঠনটির উপদেষ্টা তারেক রহমান।

অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন- দুলাল আল মাইজভান্ডারী, সাংগঠনিক সম্পাদক, কেন্দ্রীয় কমিটি, বাংলাদেশ প্রবাসী অধিকার পরিষদ; সমেজ শেখ, সামাজিক বিষয়ক সম্পাদক, কেন্দ্রীয় কমিটি; সুজন শেখ, প্রতিষ্ঠাকালীন সমন্বয়ক, বাংলাদেশ প্রবাসী অধিকার পরিষদ, মালদ্বীপ শাখা; মামুন আব্দুল রব ও আব্দুল আওয়াল, সাবেক সিটি সমন্বয়ক, মালে শাখা। বাংলাদেশ প্রবাসী অধিকার পরিষদ মালদ্বীপ শাখার আয়োজনে অনুষ্ঠানে সার্বিক সহযোগিতায় ছিলেন- কার্যকরী সদস্য ও দ্বীপপুসি সিটি শাখার মো. ইদ্রিস, শরিফুল ইসলাম, মো. মোস্তাকিম, নুর মোহাম্মদ, বিল্লাল হোসেন, মো. সোলাইমান, শহিদুল ইসলাম, সেলিম রেজা, সাগর বেপারী, জাহিদুল ইসলাম, পারবেজ হোসেন, জামাল হোসেন, ছিদ্দিকুর রহমান ও সুজন শেখ।

অনুষ্ঠানের বিশেষ অতিথি দুলাল হোসেন মাইজভান্ডারি শত ব্যস্ততার মাঝেও ভার্চুয়ালি যুক্ত হওয়ায় কেন্দ্রীয় কমিটির নেতাদের অভিনন্দন জানান এবং প্রবাসীদের পক্ষে কাজ করায় মালদ্বীপ, বাংলাদেশ দূতাবাসে কর্মরত সবাইকে
ধন্যবাদ জানান। সবশেষে চা চক্রের মাধ্যমে অনুষ্ঠানের সমাপ্তি ঘোষণা করা হয়।