✍ ইউএনও হত্যা চেষ্টা : কর্মচারী রবিউল ৬ দিনের রিমান্ডে

DSLR Cameras/ https://amzn.to/2P4hlHWCanon EOS Rebel T7 DSLR Camera with 18-55mm Lens | Built-in Wi-Fi|24.1 MP CMOS Sensor | |DIGIC 4+ Image Processor and Full HD Videos$359.99এই ক্যামেরা টি কিন্তে এখানে কিল্ক করুন

✍ ডেস্ক রিপোর্ট

সরকারি বাসভবনে প্রবেশ করে দিনাজপুরের ঘোড়াঘাট উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) ওয়াহিদা খানম ও তার বাবা বীর মুক্তিযোদ্ধা ওমর আলী শেখের ওপর হামলার ঘটনায় দায় স্বীকার করা বরখাস্ত হওয়া চতুর্থ শ্রেণির কর্মচারী রবিউল ইসলামকে (৪৩) ৬ দিনের রিমান্ডে নিয়েছে পুলিশ। এ নিয়ে ২ জন হত্যার দায় স্বীকার করলেন।

বরখাস্ত হওয়া চতুর্থ শ্রেণির কর্মচারী রবিউল ইসলাম দায় স্বীকার করেছেন পুলিশের কাছে আর যুবলীগ সদস্য আসাদুল ইসলাম (৩৫) র‌্যাবের কাছে দায় স্বীকার করেন।

আজ শনিবার প্রেস ব্রিফিংয়ে ডিআইজি দেবদাস ভট্টাচার্য জানান, গত ২ সেপ্টেম্বর দিবাগত রাতে ঘোড়াঘাট উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) ওয়াহিদা খানম ও তার বাবার ওপর হামলার ঘটনা ঘটেছে। এই ঘটনার পর থেকে পুলিশ নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছে। এরই ধারাবাহিকতায় রবিউল ইসলাম নামে সাময়িক বরখাস্ত হওয়া সরকারি কর্মচারীকে আমরা আটক করেছি। আটক রবিউল প্রাথমিকভাবে পুলিশের কাছে নিজের দায় স্বীকার করেছে। তার তথ্যের ভিত্তিতে আমরা বেশ কিছু আলামত উদ্ধার করেছি। এ ছাড়া তার বক্তব্য ও জব্দ করা সিসিটিভ ফুটেজের সাথে মিল পাওয়া গেছে।

প্রেস ব্রিফিং এ ডিআইজি দেবদাস ভট্টাচার্য জানান, গ্রেপ্তার হওয়া রবিউল ইসলামের শারীরিক গড়ন ও হাঁটা চলার অনেক মিল রয়েছে। ক্ষোভ থেকেই রবিউল এ ঘটনা ঘটিয়ে থাকতে পারে। এখানেই শেষ নয়। তদন্ত চলমান। সামনে নতুন কিছু আসলে আবারো জানানো হবে।

প্রেস ব্রিফিং শেষে বিষয়টি নিশ্চিত হওয়ার জন্য গোয়েন্দা পুলিশ যুবলীগ নেতা আসাদুল ইসলাম ও ইউএনওর বাসভবনের নৈশ্যপ্রহরী নাদিম হোসেন পলাশকে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে প্রেরণ করা হয়েছে।

অপর আসামি রবিউল ইসলামকে ১০ দিনের রিমান্ড চেয়ে আদালতে প্রেরণ করা হলে বিচারক তাকে ৬ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন।

পুলিশের এক ঊর্ধতন কর্মকর্তার সূত্রে জানা যায়, ঘোড়াঘাট উপজেলার নির্বাহী কর্মকর্তা ওয়াহিদা খানমের ব্যাগ থেকে ৫০ হাজার টাকা চুরি হয়ে যায়। সে সময় রবিউল ইসলাম ঘোড়াঘাট উপজেলায় ইউএনও অফিসের মালি ছিলেন। সন্দেহভাজন হিসাবে রবিউল ইসলামকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হলে রবিউল ইসলাম তা স্বীকার করেননি। পরে সিসিটিভি ফুটেজ দেখে তাকেই টাকা চুরি করেছেন বলে সনাক্ত করা হয়। সে কারণে রবিউল ইসলামের বিরুদ্ধে বিভাগীয় মামলাসহ তাকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়।