মসজিদে বিস্ফোরণ : চলে গেলেন ইমামও, মোট মৃত্যু ২০

DSLR Cameras/ https://amzn.to/2P4hlHWCanon EOS Rebel T7 DSLR Camera with 18-55mm Lens | Built-in Wi-Fi|24.1 MP CMOS Sensor | |DIGIC 4+ Image Processor and Full HD Videos$359.99এই ক্যামেরা টি কিন্তে এখানে কিল্ক করুন

নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লার পশ্চিম তল্লায় বায়তুস সালাত জামে এসি মসজিদে বিস্ফোরণের ঘটনায় রাসেল (৩৪) নামে আরও একজনের মৃত্যু হয়েছে।

নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লার পশ্চিম তল্লায় বায়তুস সালাত জামে এসি মসজিদে বিস্ফোরণের ঘটনায় মসজিদের ইমাম মো: আব্দুল মালেকও (৬০) মারা গেলেন। তার সঙ্গে চলে গেলেন মিজান (৩৪) নামে আরও একজন। এ নিয়ে মোট মৃতের সংখ্যা বেড়ে ২০ জনে দাঁড়িয়েছে।

শনিবার (০৫ সেপ্টেম্বর) রাত সাড়ে ৮টার দিকে শেখ হাসিনা বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তাদের মৃত্যু হয়। হাসপাতালে এখনও চিকিৎসাধীন ১৭ জন।

এর আগে সন্ধ্যা ৭টার দিকে বাহারউদ্দিন (৫৫) নামে একজনের মৃত্যু হয়। তার আগে মারা যান রাসেল (৩৪), মো: নয়ন (২৭) ও কাঞ্চন হাওলাদার (৫৩) নামের আরও তিনজন।

শেখ হাসিনা বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউট কর্তৃপক্ষ এই বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

মৃত অন্যরা হলেন- রিফাত (১৮), মোস্তফা কামাল (৩৪), জুবায়ের (১৮), সাব্বির (২১), কুদ্দুস ব্যাপরী (৭২), হুমায়ুন কবির (৭০), ইব্রাহিম (৪৩), মুয়াজ্জিন দেলোয়ার হোসেন (৪৮), জুনায়েদ (১৭), জামাল (৪০), জুয়েল (৭), জয়নাল আবেদিন (৪০) ও মাইনুদ্দিন (১২)।

নিহত ২০ জনের মধ্যে এখন পর্যন্ত ১৬ জনের মরদেহ স্বজনদের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে। শনিবার বিকেল সাড়ে ৫টা পর্যন্ত ১২ জনের মরদেহ নারায়ণগঞ্জে নিয়ে যাওয়া হয়।

এই ঘটনায় শুক্রবার (০৪ সেপ্টেম্বর) রাত সাড়ে ১২টার দিকে প্রথম মৃত্যু হয় জুয়েল নামের এক শিশুর। এরপর রাতে, সকালে ও বিকেলে অন্যদের মৃত্যু হয়। মৃতের তালিকায় রয়েছেন মসজিদের মুয়াজ্জিনও।

উল্লেখ্য, শুক্রবার (০৪ সেপ্টেম্বর) রাতে এশার নামাজের সময় এই বিস্ফোরণ ঘটে। নামাজের মোনাজাত শেষে অনেকে সুন্নত ও অন্য নামাজ পড়ছিলেন। এসময় মসজিদের ভেতরে প্রায় ৪০ থেকে ৫০ জনের মতো মুসল্লি ছিলেন। বিস্ফোরণে তাদের প্রায় সবাই দগ্ধ হন।