ভ্যাকসিন নেওয়ার পর কেমন আছেন পুতিনের মেয়ে?

প্রাণঘাতী করোনাভাইরাসে বিপর্যস্ত গোটা বিশ্ব। এই ভাইরাসের তাণ্ডবে ধ্বংসযজ্ঞে পরিণত হয়েছে আমেরিকা, ব্রিটেন, ব্রাজিল, ইতালি, স্পেন, মেক্সিকো ও ফ্রান্সের মতো দেশ। এর তাণ্ডবে দিশেহারা হয়ে পড়েছে আধুনিক চিকিৎসাবিজ্ঞান।

এখনও পর্যন্ত সফল কোনও প্রতিষেধক আবিষ্কার না হওয়ায় বিশ্বের ২১৫টি দেশ ও অঞ্চলে একযোগে এই ধ্বংসযজ্ঞ চালাচ্ছে প্রাণঘাতী এই ভাইরাস। ইতোমধ্যে বিশ্বজুড়ে তাণ্ডব চালিয়ে ২ কোটি ২৮ লাখ ৫৮ হাজার ৫৪০ জনকে আক্রান্ত করেছে করোনাভাইরাস। এর মধ্যে মৃত্যু হয়েছে ৭ লাখ ৯৭ হাজার ৯২ জনের।

এমন অবস্থায় যখন একটি প্রতিষেধকের আশায় প্রহর গুনছে বিশ্ববাসী, ঠিক তখনই সফল ভ্যাকসিন আবিষ্কারের ঘোষণা দিয়ে বিশ্বব্যাপী হইচই ফেলে দেয় রাশিয়া।
রাশিয়ার এই ভ্যাকসিনটি সর্বপ্রথম প্রয়োগ করা হয় দেশটির প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনের মেয়ে ইয়েক্যাতেরিনাকে।

এদিকে, রাশিয়ার করোনা প্রতিষেধক নেওয়ার পর পুতিনের মেয়ে ইয়েক্যাতেরিনা মারা গেছেন বলে হু হু করে খবর ছড়িয়ে পড়েছিল নেট জগতে। কিন্তু সেটা কি সত্যি?

বিশ্বের প্রথম করোনা প্রতিষেধক “স্পুটনিক-৫” নিয়ে এসে সারাবিশ্বকে তাক লাগিয়ে দিয়েছিল “ফার্স্ট বয়” রাশিয়া। প্রতিষেধকের কার্যকারিতা বোঝাতে নিজের মেয়ের শরীরেও প্রতিষেধক প্রয়োগ করিয়েছিলেন রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট। তারপরই সোশ্যাল মিডিয়ায় ছড়িয়েছিল একটি ছবি যেখানে একটি মেয়েকে প্রতিষেধক দেওয়া হচ্ছে। সেখানে মেয়েটিকে পুতিনের মেয়ে হিসেবে দাবি করা হলেও পরে ভুয়া খবর বলে জানা যায়।

ঠিক একইরকমভাবে টরোন্টো টুডের প্রতিবেদনের পর গোটা সোশ্যাল মিডিয়ায় রব ওঠে প্রতিষেধকের ফলে প্রাণ হারিয়েছেন পুতিন কন্যা। গোটা টুইটার তোলপাড় হয়ে যায় এই খবরে। তবে এই খবর সম্পূর্ণ ভুয়া।

কারণ পুতিনের মেয়ের মৃত্যুর বিষয়ে যে ওয়েব সাইটে প্রকাশ করা হয়েছে, সেটি একটি জ্যোতিষ বিষয়ক ওয়েব সাইট। এমনকি সেখানে এও লেখা রয়েছে যে বিষয়টি সত্যি হতে পারে আবার নাও হতে পারে।

এছাড়াও পুতিন কিংবা ক্রেমলিনের পক্ষ থেকে এই বিষয়ে কোনও তথ্য জানানো হয়নি। রাশিয়ার কোনও সংবাদমাধ্যমেও এই খবর প্রকাশিত হয়নি। সূত্র: জিনিউজ