করোনার ভ্যাকসিনের কার্যকারিতা নিয়ে প্রশ্ন তুললেন বিজ্ঞানীরা

সংগৃহীত ছবি
Add your HTML code here...
DSLR Cameras/ https://amzn.to/2P4hlHWCanon EOS Rebel T7 DSLR Camera with 18-55mm Lens | Built-in Wi-Fi|24.1 MP CMOS Sensor | |DIGIC 4+ Image Processor and Full HD Videos$359.99এই ক্যামেরা টি কিন্তে এখানে কিল্ক করুন

রাশিয়া করোনার যে ভ্যাকসিনটি ব্যবহারের জন্য অনুমোদন দিয়েছে, তা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞ ও বিজ্ঞানীরা। তারা বলছেন, ট্রায়ালের সম্পূর্ণ তথ্য ছাড়াই ভ্যাকসিনটির সুরক্ষা ও কার্যকারিতার ব্যাপারটি বিশ্বাস করা কঠিন।

মস্কোভিত্তিক গামালেয়া ইনস্টিটিউটের তৈরি ওই ভ্যাকসিনটির কোনো প্রকার বৈজ্ঞানিক ফলাফল কোনো বিজ্ঞান সাময়িকীতে প্রকাশ করা হয়নি। আর এ কারণেই রুশ ভ্যাকসিনটির কার্যকারিতা এবং সুরক্ষা নিয়ে বিশ্বজুড়ে বিজ্ঞানী ও স্বাস্থ্যখাতে বিশেষজ্ঞ ব্যক্তিদের মধ্যে দেখা দিয়েছে উদ্বেগ উৎকণ্ঠা।

ইউনিভার্সিটি কলেজ লন্ডনের জেনেটিক্স ইনস্টিটিউটের বিশেষজ্ঞ ফ্রান্সিস বেলাক্স রাশিয়ার ভ্যাকসিন ব্যবহারের এই অনুমোদনকে ‘বেপরোয়া ও বোকামি সিদ্ধান্ত’ বলে অভিহিত করে বলেন, ‘যথাযথভাবে পরীক্ষা-নিরিক্ষা না করেই গণহারে মানুষের জন্য ভ্যাকসিন ব্যবহারের এমন অনুমোদন অনৈতিক।’
বিশ্বে প্রথম দেশ হিসেবে সাফল্যের ঘোষণা দেওয়া রাশিয়া তাদের ভ্যাকসিনটির নাম রেখেছে ‘স্পুটনিক-৫’! যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে প্রতিযোগিতায় সর্বপ্রথম মহাশূন্যে তারা যে স্যাটেলাইট প্রেরণ করে তার নামও ছিল স্পুটনিক।

মহামারি করোনা প্রতিরোধে বিশ্বজুড়ে ভ্যাকসিন তৈরির প্রতিযোগিতায় প্রথম হতে চেয়েছিল রাশিয়া। তাইতো বৃহৎ পরিসরে পরীক্ষা চালিয়ে নিরাপদ ও কার্যকরিতা ভালোভাবে যাচাই না করেই ভ্যাকসিন ব্যবহারে মস্কোর অনুমোদনকে বিশেষজ্ঞরা ‘বেপরোয়া পদক্ষেপ’ হিসেবে অভিহিত করেছেন।

ব্রিটেন ওয়ারউইক বিজনেস স্কুলের বিশেষজ্ঞ ওষুধ গবেষক আয়ফার আলি রয়টার্সকে বলেন, ‘এত দ্রুত ভ্যাকসিন ব্যবহারের এমন অনুমোদনের অর্থ হচ্ছে এর দ্বারা বিরুপ প্রভাবের বিষয়টি বিবেচনায় নেওয়া হয়নি। এটা বিরল। এ কারণে এই ভ্যাকসিন মারাত্মক ও নেতিবাচক ফল বয়ে আনতে পারে।’

অথচ মঙ্গলবার রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন ভ্যাকসিনটির অনুমোদন দিয়ে বলেন, আমরাই প্রথম করোনার ভ্যাকসিন তৈরি করেছি। আমাদের তৈরি ভ্যাকসিনটি স্থায়ী বা টেকসই প্রতিরোধী সক্ষমতা দেখাতে সক্ষম। প্রয়োজনীয় সব ধাপ অতিক্রম করেই তা কার্যকর হিসেবে প্রমাণিত হয়েছে।

শুধু বিজ্ঞানী আর বিশেষজ্ঞ নয় স্বাস্থ্য বিষয়ক জাতিসংঘের সংস্থা ডব্লিউএইচও রাশিয়ার তৈরি ও অনুমোদন পাওয়া ভ্যাকসিন নিয়ে সংশয় প্রকাশ করে বলেছে, তারা যে ভ্যাকসিন মানুষের ব্যবহারের জন্য অনুমোদন দিয়েছে, বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা ওই ভ্যাকসিন নিয়ে মূল্যায়ন করার মতো পর্যাপ্ত তথ্য পায়নি।