বিচার প্রক্রিয়ায় সিনহার মায়ের সন্তোষ

DSLR Cameras/ https://amzn.to/2P4hlHWCanon EOS Rebel T7 DSLR Camera with 18-55mm Lens | Built-in Wi-Fi|24.1 MP CMOS Sensor | |DIGIC 4+ Image Processor and Full HD Videos$359.99এই ক্যামেরা টি কিন্তে এখানে কিল্ক করুন

✍ ডেস্ক রিপোর্ট

সেনাবাহিনীরঅবসরপ্রাপ্ত মেজর সিনহা মোহাম্মদ রাশেদ খানের নিহত হওয়ার ঘটনার বিচার প্রক্রিয়ায় সন্তোষ প্রকাশ করেছেন মেজর সিনহার মা।

সোমবার (১০ আগস্ট) দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে উত্তরার বাসায় সাংবাদিকদের ব্রিফকালে এ কথা জানান।

নিহত অবসরপ্রাপ্ত মেজর সিনহা মোহাম্মদ রাশেদ রাজনীতির সঙ্গে জড়িত ছিলেন না বলে জানিয়েছেন তাঁর মা। আজ সোমবার উত্তরায় নিজেদের বাসভবনে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে সাংবাদিকদের এ কথা বলেন তিনি।

সিনহার মা জানান, প্রথম দিকে উত্তরা পশ্চিম থানার এক পুলিশ তাঁদের সঙ্গে যোগাযোগ করে প্রশ্ন করেন, সেটি মেজর সিনহার বাসা কি না। সিনহার মা ভেবেছিলেন, কাজে গিয়ে হয়তো কোনো জটিলতার সৃষ্টি হয়েছে, এজন্য পুলিশ সিনহা রাশেদের বিস্তারিত পরিচয় জানতে চাইছে।

তখন পুলিশকে সিনহা মোহাম্মদ রাশেদের পরিচয় দেওয়ার পর তাঁর মা ভেবেছিলেন, কাজে গিয়ে কোনো জটিলতা তৈরি হলে সিনহার পরিচয় দেওয়ার পর হয়তো মিটে যাবে।

এর পরই তাঁকে প্রশ্ন করা হয় সিনহা রাশেদ রাজনীতির সঙ্গে জড়িত ছিলেন কি না। এর জবাবে সিনহার মা বলেছিলেন, ‘এ ব্যাপারে আমি ১০০ পার্সেন্ট বলতে পারি, সিনহা রাজনীতির সঙ্গে মোটেও জড়িত ছিল না। আমি রাজনীতির সঙ্গে তাঁর কোনো সম্পৃক্ততা দেখিনি।’

এ ছাড়া সিনহার মাকে প্রশ্ন করা হয়েছিল, কেন সিনহা সেনাবাহিনীর চাকরি ছেড়ে দিয়েছিলেন। এর জবাবে সিনহার মা বলেছিলেন, বিশ্ব ভ্রমণসহ আরো কিছু কাজ করার ইচ্ছে থাকায় চাকরি ছেড়েছিলেন তিনি।

সিনহার মা সাংবাদিকদের বলেন, “সে (সিনহা) দেশকে নিয়ে অনেক ভাবতো। ছেলে আমাকে বলতো, ‘আম্মা আমরা যদি দেশে ভালো কিছু রেখে যাই, তাহলে ভবিষ্যৎ প্রজন্ম সেটা অনুসরণ করবে।”

মামলা সংক্রান্ত বিষয়ে সন্তুষ্ট কি না জানতে চাইলে সিনহা মোহাম্মদ রাশেদের মা বলেন, ‘আমি সন্তুষ্ট। আমার ছেলে পজিটিভ ছিল, সবসময় বলত, বি পজিটিভ। আমিও পজিটিভ আছি। মাননীয় প্রধানমন্ত্রী, সেনাবাহিনীর প্রধান, নৌবাহিনীর প্রধানসহ প্রত্যেকে আমাকে সহযোগিতার আশ্বাস দিয়েছেন।’

সাংবাদিকদের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করে সিনহার মা বলেন, ‘আপনারা সাংবাদিকরা… আপনাদের প্রত্যেকটা বিষয় আমি পড়ছি। আমার হৃদয় ছুঁয়ে যাচ্ছে। আমি সবাইকে ধন্যবাদ দিচ্ছি। দেশের সুন্দর একটা পরিবর্তন আমরাই আনব, আপনারাই আনবেন। একটা সুন্দর পরিবর্তন দরকার। আমাদের তো জীবন চলে গেছে, শেষ হয়ে গেছে। সামনে ছোট বাচ্চাগুলো আছে, আমরা ওদের জন্য কিছুই রেখে যাইনি।’