পল্লবী থানায় বিস্ফোরণের ঘটনায় আইএসের দায় স্বীকার

DSLR Cameras/ https://amzn.to/2P4hlHWCanon EOS Rebel T7 DSLR Camera with 18-55mm Lens | Built-in Wi-Fi|24.1 MP CMOS Sensor | |DIGIC 4+ Image Processor and Full HD Videos$359.99এই ক্যামেরা টি কিন্তে এখানে কিল্ক করুন

ডেস্ক রিপোর্ট,

রাজধানী পল্লবী থানায় বিস্ফোরণের ঘটনায় আইএসের দায় স্বীকার
রাজধানী ঢাকার মিরপুরের পল্লবী থানায় বিস্ফোরণের দায় স্বীকার করেছে মধ্যপ্রাচ্যভিত্তিক জঙ্গিগোষ্ঠী ইসলামিক স্টেট (আইএস)। অনলাইনে জঙ্গি কার্যক্রম পর্যবেক্ষণকারী মার্কিন সাইট ইনটেলিজেন্স গ্রুপ পল্লবী থানায় বিস্ফোরণের দায় আইএস স্বীকার করেছে বলে বুধবার (২৯ জুলাই) রাতে তাদের ওয়েবসাইটে জানিয়েছে।

সাইট ইনটেলিজেন্স গ্রুপের পরিচালক রিটা কাটজ এক টুইট বার্তায় বলেছেন, বাংলাদেশের রাজধানী ঢাকায় পুলিশের একটি দফতরে হামলার দায় স্বীকার করেছে আইএস।

২০১৯ সালের আগস্টের পর রাজধানী ঢাকায় আইএসের এটাই প্রথম হামলা বলে জানিয়েছেন রিটা। তিনি বলেন, ঈদুল আজহার আগে নতুন লড়াইয়ের অংশ হিসেবে ঢাকায় এই হামলা চালানো হয়েছে বলে দাবি করছে আইএস।

এর আগে বুধবার ভোরে পল্লবী থানার ভেতর বিস্ফোরণে চার পুলিশ সদস্যসহ অন্তত পাঁচজন আহত হন। তারা হলেন, ইন্সপেক্টর অপারেশন ইমরান, উপ-পরিদর্শক (এসআই) সজিব খান, শিক্ষানবিশ উপ-পরিদর্শক (পিএসআই) রুমি, শিক্ষানবিশ উপ-পরিদর্শক (পিএসআই) অঙ্কুশ। এছাড়া রিয়াজ নামে একজন অফিস স্টাফ আহত হন।

বিস্ফোরণের ব্যাপারে বুধবার ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের (ডিএমপি) ডিসি (মিডিয়া) ওয়ালিদ হোসেন বলেন, ‘ভোরে পল্লবী এলাকা থেকে তিন আসামিকে গ্রেফতার করে পল্লবী থানা হেফাজতে রাখা হয়। মিরপুর এলাকার একজন রাজনীতিক নেতাকে খুন করার জন্য তাদের ভাড়া করা হয়েছিল বলে অভিযোগ ছিল তাদের বিরুদ্ধে।’

‘গ্রেফতারের পর তাদের থানায় আনা হয়। এ সময় তাদের কাছ থেকে দুইটি অস্ত্র ও কিছু জিনিসপত্র উদ্ধার করে পুলিশ। এগুলো থানার ইন্সপেক্টর অপারেশনের রুমে রাখা হয়। উদ্ধারকৃত জিনিসপত্রগুলোর মধ্যে ওজন মাপার মেশিন-সদৃশ্য একটি বস্তু ছিল। সকাল ৭টায় হঠাৎ সেটি বিস্ফোরণ হয়।’

এদিকে,পল্লবী থানায় বিস্ফোরণের ঘটনাটি জঙ্গি সংশ্লিষ্ট নয় বলে জানিয়েছেন ঢাকা মহানগর পুলিশের অতিরিক্ত কমিশনার (ক্রাইম) কৃষ্ণপদ রায়। তিনি বলেন, স্থানীয় একটি অপরাধীচক্র কোনো অপরাধ সংগঠনের চেষ্টা করছিল সে সংবাদটির জানার পর পুলিশ ৩ জনকে গ্রেফতার করে থানায় নিয়ে আসে। এরপর ওই বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটে।

সম্প্রতি দেশজুড়ে জঙ্গি হামলার আশঙ্কায় পুলিশ সদর দফতর থেকে সতর্কবার্তা জারি করা হয়। সেখানে পুলিশকে টার্গেট করে বা পুলিশি স্থাপনায় হামলা হতে পারে বলে আশঙ্কা প্রকাশ করা হয়। এতে বলা হয়, বাংলাদেশে হত্যাকাণ্ড, নাশকতা ও ধ্বংসাত্মকমূলক কর্মকাণ্ডের পরিকল্পনা করছে জঙ্গি সংগঠন ইসলামিক স্টেটের (আইএস) আদলে গঠিত নব্য জেএমবির সদস্যরা।

সতর্কবার্তায় গোয়েন্দা তথ্যের বরাতে পুলিশ (পুলিশের কোনো টিম, স্থাপনা বা যানবাহন) বিমানবন্দর, ৩ দেশের দূতাবাস ভবন বা দূতাবাস সংশ্লিষ্ট বিশেষ ব্যক্তি অথবা শিয়া-আহমদিয়া উপাসনালয়, মাজার কেন্দ্রিক মসজিদ, চার্চ, প্যাগোডা, মন্দিরগুলোকে টার্গেট করা হতে পারে বলে উল্লেখ করা হয়েছে। হামলার সম্ভাব্য দিন-তারিখ উল্লেখ না থাকলেও হামলার সময় সকাল ৬-৭টা অথবা সন্ধ্যা ৭-১০টায় হতে পারে বলে উল্লেখ করা হয়েছে।