সাহেদকে নেয়া হয়েছে খুলনায়

DSLR Cameras/ https://amzn.to/2P4hlHWCanon EOS Rebel T7 DSLR Camera with 18-55mm Lens | Built-in Wi-Fi|24.1 MP CMOS Sensor | |DIGIC 4+ Image Processor and Full HD Videos$359.99এই ক্যামেরা টি কিন্তে এখানে কিল্ক করুন

বহুল সমালোচিত রিজেন্ট গ্রুপের চেয়ারম্যান প্রতারক মো. সাহেদকে সাতক্ষীরার অবৈধ অস্ত্র মামলায় জিজ্ঞাসাবাদের জন্য খুলনায় নিয়ে এসেছে র‌্যাব-৬। ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগার থেকে সোমবার বিকালে তাকে খুলনাস্থ র‌্যাব-৬ কার্যালয়ে আনা হয়। এখানে ১০ দিনের রিমান্ডে তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করছে র‌্যাব। মঙ্গলবার থেকে তার রিমান্ড কার্যক্রম শুরু হয়েছে।

সূত্র মতে, ভারতে পালিয়ে যাওয়ার সময় দেবহাটায় গ্রেফতার মো. সাহেদের কাছ থেকে অবৈধ অস্ত্র ও গুলি উদ্ধারের ঘটনায় ১০ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন সাতক্ষীরার ভার্চুয়াল আদালত। ওই মামলায় তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করবে র‌্যাব।

এই মামলার রিমান্ড শেষে উত্তরা পশ্চিম থানায় বিশেষ ক্ষমতা আইনে দায়ের করা জাল নোটের মামলায় আদালতে তার রিমান্ড চাওয়া হবে। র‌্যাব বাদী হয়ে মো. সাহেদের বিরুদ্ধে তিনটি মামলা করেছে।

প্রতারণার অভিযোগে প্রথম মামলা দায়ের হয় উত্তরা পশ্চিম থানায়, দ্বিতীয় মামলা (অস্ত্র আইনে) সাতক্ষীরার দেবহাটাতে এবং তৃতীয় মামলা জালনোট উদ্ধারের বিষয়ে উত্তরা পশ্চিম থানায় মামলা করা হয়। তিনটি মামলা তদন্তের জন্য স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় র‌্যাবকে অনুমতি দিয়েছে। রিমান্ড শেষে অস্ত্রের বিষয়ে জানা যাবে বলে সূত্রটি জানিয়েছে।

র‌্যাব-৬-এর মিডিয়া অফিসার এএসপি মো. মাহবুব-উল-আলম বলেন, রিমান্ডে জিজ্ঞাসাবাদ করা হবে। এখনি তেমন কোনো বিষয় জানানোর নেই। জিজ্ঞাসাবাদের পর ব্রিফ করা হবে।

প্রসঙ্গত, করোনাভাইরাসের নমুনা পরীক্ষা নিয়ে ভুয়া রিপোর্ট দেয়ার মামলায় গত ১৫ জুলাই ভোরে সাতক্ষীরার সীমান্তবর্তী এলাকা থেকে রিজেন্ট গ্রুপ ও রিজেন্ট হাসপাতালের চেয়ারম্যান মো. সাহেদকে গ্রেফতার করে র‌্যাব।

উল্লেখ্য, করোনার নমুনা সংগ্রহ করে মনগড়া প্রতিবেদন দেয়া, রোগীদের থেকে অর্থ হাতিয়ে নেয়াসহ নানা অভিযোগে রিজেন্ট হাসপাতালে ৬ জুলাই অভিযান চালিয়ে সিলগালা করে দেয় র‌্যাব। ৭ জুলাই সাহেদকে প্রধান আসামি করে র‌্যাব উত্তরা পশ্চিম থানায় ১৭ জনের বিরুদ্ধে মামলা করে। একই দিন হাসপাতালটির মিরপুর শাখায়ও অভিযান চালিয়ে সিলগালা করা হয়। ১৩ জুলাই র‌্যাব মামলার তদন্তের দায়িত্ব চেয়ে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের কাছে আবেদন করে।

১৫ জুলাই বোরকা পরে দেবহাটার পারুলিয়া ইউপির কোমরপুর গ্রামের ইছামতি নদী সংযুক্ত লাবণ্যবতী নদীর কুমড়োর খাল দিয়ে ভারতে পালিয়ে যাওয়ার সময় র‌্যাব সাহেদকে গ্রেফতার করে। এ সময় তার কাছ থেকে একটি পিস্তল, তিন রাউন্ড গুলি ও একটি ম্যাগাজিন পাওয়া যায়। মামলায় আসামি করা হয় সাহেদ, বাচ্চু মাঝি ও অজ্ঞাত একজনকে।

সাতক্ষীরার দেবহাটা থানায় করা অস্ত্র আইনের মামলায় সাহেদের ১০ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন সাতক্ষীরার ভার্চুয়াল আদালত। রোববার শুনানি শেষে সাতক্ষীরার আমলি আদালতের বিচারক এ আদেশ দেন। দেবহাটা থানায় অস্ত্র আইনে দায়ের করা মামলার তদন্ত কর্মকর্তা সাহেদ করিমের ১০ দিনের রিমান্ড চেয়ে আবেদন করেছিলেন।