সমবয়সী মেয়েকে বিয়ে করলে যা হয়

DSLR Cameras/ https://amzn.to/2P4hlHWCanon EOS Rebel T7 DSLR Camera with 18-55mm Lens | Built-in Wi-Fi|24.1 MP CMOS Sensor | |DIGIC 4+ Image Processor and Full HD Videos$359.99এই ক্যামেরা টি কিন্তে এখানে কিল্ক করুন

ডেস্ক রিপোর্ট,

বিয়ের ধারণা আগের চেয়ে পাল্টেছে। এখন বিয়ে মানে শুধুমাত্র স’ন্তান জ’ন্ম দেয়াই না বরং বিয়ে বলতে একে অপরের সাথে সু’খ-দুঃখ, সফলতা-বিফলতাসহ সমস্ত কিছুই ভাগ করে নেয়া। আর এর ফলে বর্তমানে সমবয়সী অর্থাত্‍ দুই বন্ধুর মধ্যে বিয়ের চল বেড়ে চলেছে। এক স’ঙ্গে পড়াশুনা বা চাকরি করতে গিয়ে কাছাকাছি আসা, মনের মিল খুঁজে পাওয়া এবং শেষে ঘর বাঁ’ধা।

সমব’য়সী স্ত্রীর স’ঙ্গে বন্ধুর মতো সবকিছু শেয়ার করা যায়। নিজের ভালোলাগার বি’ষয়গুলো তার স’ঙ্গে মিলে যায় সহজেই। আবার কখনো বা পড়তে হয় দারুণ বিপাকে। সমব’য়সী বিয়ের ক্ষেত্রে কিছু কমন সমস্যা আমরা প্রায়ই দেখতে পাই, যা বি’ষিয়ে তুলতে পারে দাম্পত্য জীবন।

অনেক সময় দেখা যায়, সমব’য়সী পুরু’ষটি তার স্ত্রীর কাছে মা’নসিক দিক থেকে ভ্রাতৃতুল্য হয়। কিন্তু পুরু’ষটির আচরণে এসে পড়ে কর্তৃত্ব। যেহেতু না’রীটি ওই পুরু’ষ থেকে পরিণতমনস্ক, সেই কারণে তার থাকে দিদিগিরি। আর এ কারণে দ্রু’তই শুরু হয়ে যেতে পারে সং’ঘাত।

আবার এমনো দেখা যায়, যুক্তি-বুদ্ধি নিয়ে গড়ে ওঠা মে’য়েটির নিজস্ব চিন্তা ভাবনাকে সম্মান দেখানোর মা’নসিকতা থাকে না পুরু’ষটির। আর এর ফলে দাম্পত্য জীবনে মতভেদ, জটিলতার মতো বি’ষয় দেখা দেয়। তাছাড়া আবেগে ভাটা পড়লে সম্প’র্কের পরণতি হয় ডিভোর্সে।

আবার যখন একই সাথে সংসার করার পর দুজনের বয়স ৪০ বা ৪৫ বছরের এসে দাড়ায়। তখন মেয়েদের মধ্যে একটা টার্নিং পয়েন্ট কাজ করে কারণ সেই সময় তাদের কোন স’ন্তান ধারণের প্রশ্ন ওঠেনা।

তখন তারা মো’টামুটিভাবে মুক্ত অনেকটা সংসার অতিবাহিত করার পরে তারা একটু রিলিফ পায় এই সময়। আর তখনই স্বা’মীর ই’চ্ছার বি’রুদ্ধে গিয়ে কোন কাজ করে তারা এর ফলে শুরু হয়ে যায় সংসারে সং’ঘাত।

অনেকের মতেই সমবয়সীতে বিয়ে হওয়া মানে দাম্পত্য জীবনে সমস্যার বৃ’দ্ধি করা।

তাই সাধারণত যদি মে’য়েটির থেকে ছেলেটি কমপক্ষে ৫ বছরের বড় হয় এবং খুব বেশি হলে ১০ বছরের বড় তাহলে এটি বিবাহের সম্প’র্কে পক্ষে যথাযথ।