সরছে না চীনা সেনারা, পূর্ব লাদাখজুড়ে ভয়ঙ্কর যুদ্ধবিমান মোতায়েন করছে ভারত

✍আন্তর্জাতিক ডেস্ক রিপোর্ট

পরিস্থিতি ঘুরে দেখেছেন ভারতের কেন্দ্রীয় প্রতিরক্ষামন্ত্রী রাজনাথ সিং। এবার সীমান্তের পরিস্থিতি খতিয়ে দেখতে উচ্চপর্যায়ের বৈঠকে বসবে দেশটির বিমান বাহিনী। আগামী সপ্তাহেই বিমান বাহিনীর উচ্চপদস্থ কমান্ডাররা এই বৈঠক করবেন বলে জানা গেছে। চীনের নিয়ন্ত্রণ রেখাজুড়ে কি পরিস্থিতি, তার পর্যালোচনা চলবে বৈঠকে।

পূর্ব লাদাখের পরিস্থিতি খুব একটা সুবিধাজনক অবস্থানে নেই। ফিঙ্গারস এলাকা থেকে সরতে চাইছে না চীনা সেনারা। ১৪ ঘণ্টা বৈঠকের পরও চীন দ্বিচারিতা করছে বলে অভিযোগ। এবার পদক্ষেপ নিতে চাইছে ভারতের বিমান বাহিনী। পূর্ব লাদাখজুড়ে ভয়ঙ্কর যুদ্ধবিমান রাফায়েল ফাইটার জেট মোতায়েন করার কথা ভাবছে তারা।

উল্লেখ্য, ফ্রান্স থেকে চলতি মাসের শেষেই ভারতে আসছে রাফায়েল জেট। ২২ জুলাই থেকে এই বৈঠক শুরু হতে চলেছে ভারতীয় বিমান বাহিনীর শীর্ষ কর্মকর্তাদের মধ্যে। উপস্থিত থাকবেন এয়ার চিফ মার্শাল আর কে এস ভাদোরিয়া। থাকবেন সাতজন কমান্ডার ইন চিফ। পূর্ব লাদাখে ও অন্যান্য উত্তর প্রান্তের সীমান্তজুড়ে কীভাবে বিমান বাহিনীর রণসজ্জা হবে, সেই পরিকল্পনা নেওয়া হবে বৈঠকে।
সীমান্তে কত দ্রুত ফাইটার জেট মোতায়েন করা যায়, কত সংখ্যায় তা মোতায়েন করা হবে, তার বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে বৈঠকে। বায়ুসেনা কমান্ডাররা চাইছেন রাফায়েল কমব্যাট এয়ারক্রাফট এমন অবস্থানে রাখা হবে, যা দ্রুত যেকোনও পরিস্থিতিতে কাজে লাগানো যায়।

ইতিমধ্যেই নয়াদিল্লি পূর্ব লাদাখে আরও ৬০ হাজার সেনা সদস্য মোতায়েন করেছে। মোতায়েন করা হয়েছে ভীষ্ম ট্যাংক, অ্যাপাচে অ্যাটাক হেলিকপ্টার, সুখোই ফাইটার জেট, চিনুক ও রুদ্র হেলিকপ্টার। চীন সীমান্তে চলছে ভারতীয় সেনার কড়া নজরদারি। ১৪ ঘণ্টার বৈঠকের ফলাফল খতিয়ে দেখেছেন চায়না স্টাডি গ্রুপ বা সিএসজির প্রধান ও দেশের জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা অজিত দোভাল। পূর্ণাঙ্গ রিপোর্ট ইতোমধ্যে তার হাতে এসে পৌঁছেছে।

সিএসজিতে রয়েছেন ক্যাবিনেট সেক্রেটারি, স্বরাষ্ট্র সচিব, বিদেশ সচিব ও প্রতিরক্ষা সচিবরা। রয়েছেন ভারতীয় সেনা, নৌবাহিনী ও বিমান বাহিনীর প্রতিনিধিরা। সূত্রের খবর এখনই প্যাংগংয়ের ফিঙ্গারস থেকে সরতে ইচ্ছুক নয় চীনা সেনারা।

জানা গেছে, বেইজিং গলওয়ান ভ্যালি, হট স্প্রিং ও গোগরা পোস্ট থেকে সেনা সরাতে রাজি হলেও ফিঙ্গারস এলাকা থেকে নিজেদের দখল এখনই সরাতে চাইছে না। মূলত ফিঙ্গারস ৮ এলাকা এখনও চীনের দখলে। তবে ফিঙ্গার ফোরের কাছে ব্ল্যাকটপ ও গ্রিনটপ থেকে চীন সেনাদের সরিয়ে নিয়েছে বলে দাবি নয়াদিল্লির।

সূত্র: কলকাতা২৪