বিশ্ব প্রতিযোগিতায় টিকতে বিজ্ঞান-প্রযুক্তি শিক্ষার বিকল্প নেই: প্রধানমন্ত্রী

✍বাসস

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা প্রযুক্তিনির্ভর জাতি গঠনে তার সরকারের অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করে বলেছেন, প্রতিযোগিতামূলক বিশ্বে টিকে থাকতে হলে বিশ্ব প্রতিযোগিতায় টিকতে বিজ্ঞান-প্রযুক্তি শিক্ষার বিকল্প নেই বলে মন্তব্য করেছেন প্রধানমন্ত্রী ,। আজকে বিশ্ব যখন প্রযুক্তিতে এগিয়ে যাচ্ছে এবং বর্তমান যুগটাই প্রযুক্তি নির্ভর হয়ে যাচ্ছে; তখন বাংলাদেশ পেছনে থাকবে তা হতে পারে না।

বুধবার সকালে গণভবন থেকে ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে রাজশাহীর বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব হাইটেক পার্কে শেখ কামাল আইটি ইনকিউবেটর এবং প্রশিক্ষণ কেন্দ্রের উদ্বোধনকালে তিনি একথা বলেন। ডিজিটাল বাংলাদেশ গড়ার লক্ষ্যে জ্ঞান-ভিত্তিক সমাজ এবং আরও কর্মসংস্থান সৃষ্টি করতে এ কেন্দ্রটি স্থাপন করা হয়েছে।

অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী বলেন, মুক্তিযুদ্ধে বিজয়ী জাতি হিসেবে আমরা সব সময় এগিয়ে থাকতে চাই। আর সেই চিন্তা থেকেই আমরা বিভিন্ন পদক্ষেপ নিয়েছি। যার সুফল এখন দেশবাসী পাচ্ছেন। তিনি বলেন, ‘আমরা আমাদের নতুন প্রজন্মকে এমনভাবে শিক্ষিত করতে চাই যেন প্রতিযোগিতাময় বিশ্বের সঙ্গে তারা তাল মিলিয়ে চলতে পারে। সেজন্য প্রযুক্তি শিক্ষাটা একান্তভাবে দরকার।’

প্রযুক্তির ব্যাপকতা তুলে ধরে শেখ হাসিনা বলেন, ‘আমরা প্রযুক্তিনির্ভর একটা জাতিগোষ্ঠী গড়ে তুলতে চাই। নতুন প্রজন্ম যেন আরও বেশি আগ্রহী হয় সেদিকে লক্ষ্য রেখেই আমরা কম্পিউটার শিক্ষা, মাল্টিমিডিয়া ক্লাসরুম করে দিচ্ছি।’

এসব পদক্ষেপের পেছনে যুক্তি তুলে ধরে তিনি বলেন, এগুলো শুধু নিজেদের শিক্ষার জন্যই নয়, রফতানি খাতেও ডিজিটাল ডিভাইস অনেক বেশি অবদান রাখতে পারে। আমাদের ছেলেমেয়েরাও ঘরে বসে শিখে শুধু অনলাইনে এখন আউটসোর্সিংয়ের কাজ করে অনেক অর্থ উপার্জন করতে পারছে। সেই সুযোগটা আমরা সৃষ্টি করেছি।’

প্রধানমন্ত্রী বলেন, ’৯৬ সালে আমরা যখন ক্ষমতায় আসি তখন একটা মোবাইল ফোন সেটের দাম ছিল এক লাখ ৩০ হাজার টাকা। ফোন করলে প্রতি মিনিট ১০ টাকা, ধরলেও ১০ করলেও ১০। এই ছিল অবস্থা। বেসরকারি খাতে ছেড়ে দেয়ার ফলে দাম অনেক কমে গেছে। খুব অল্প টাকায় মোবাইল সেট কেনা যায়। আমাদের ১৬ কোটি মানুষের দেশে এখন ১৩ কোটি সিম ব্যবহার হয়।

সরকার প্রধান বলেন, এই যে আমরা কথা বলতে পারছি বা আজকে টাকা পাঠানো, ক্রয়-বিক্রয় থেকে শুরু করে সব ধরনের সুযোগ-সুবিধা মানুষ পাচ্ছে। মানুষের জীবনমান উন্নত হচ্ছে। অনলাইনে ব্যবসা-বাণিজ্য থেকে শুরু করে সবকিছু যে হচ্ছে তার ফলে আমরা মনে করি যে দুর্নীতি নিয়ন্ত্রণেরও সুযোগ হচ্ছে। দেশের অর্থনীতিও আরও শক্তিশালী হচ্ছে। একেবারে গ্রাম পর্যায়ের মানুষ যেন কর্মসংস্থানের সুযোগ পায় সেই ব্যবস্থাটাও আমরা করে দিচ্ছি।

সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, ৭২ হাজার বর্গফুটের শেখ কামাল আইটি ইনকিউবেটর কেন্দ্রে বহুমুখী প্রশিক্ষণ, উচ্চমানের স্টার্টআপস, বৃষ্টির পানি সংগ্রহ এবং নবায়নযোগ্য জ্বালানি সুবিধা রয়েছে। একইসঙ্গে দেশ-বিদেশের বিনিয়োগকারীদের আকর্ষণে এখানে সব ধরনের ব্যবসায়িক পরিবেশ নিশ্চিত করা হয়েছে।

সেন্টারটি সম্পর্কে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘এখানে তরুণ-যুবকরা ট্রেনিং নেবে, এর ফলে দেশে-বিদেশে কর্মসংস্থানের সুযোগ হবে। তারা নিজেরা নিজের পায়ে দাঁড়াতে পারবে।’ চাকরির পেছনে না ছুটে উদ্যোক্তা হওয়ার ওপর গুরুত্বারোপ করে শেখ হাসিনা বলেন, ‘উদ্যোক্তা হতে হবে। চাকরি না করে চাকরি দেব এ চিন্তাটা থাকতে হবে।’

একই অনুষ্ঠান থেকে শেখ হাসিনা সাতটি জেলা ও ২৩টি উপজেলায় শতভাগ বিদ্যুতায়ন এবং ফেনী ১১৪ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ কেন্দ্রের উদ্বোধন করেন। শতভাগ বিদ্যুতায়নের আওতার সাতটি জেলা হল- ঢাকা, ফেনী, গোপালগঞ্জ, নাটোর, পাবনা, জয়পুরহাট এবং মেহেরপুর।

স্থানীয় সরকারমন্ত্রী এম তাজুল ইসলাম, প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা এইচটি ইমাম ও ড. তৌফিক-ই-এলাহী চৌধুরী, বিদ্যুৎ প্রতিমন্ত্রী নসরুল হামিদ বিপু, পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী মো. শাহরিয়ার আলম, আইসিটি প্রতিমন্ত্রী জুনায়েদ আহমেদ পলক, সাবেক পররাষ্ট্রমন্ত্রী এএইচ মাহমুদ আলী, একেএম রহমতউল্লাহ এমপি, শহীদুজ্জামান সরকার এমপি এবং সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয় ও বিভাগের সচিবরা অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন।

প্রধানমন্ত্রীর মুখ্য সচিব ড. আহমদ কায়কাউস অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন। আইসিটি বিভাগের সিনিয়র সেক্রেটারি এএনএম জিয়াউল আলম আইটি ইনকিউবেটর এবং প্রশিক্ষণ কেন্দ্রসহ হাইটেক পার্কগুলোর উন্নয়নের সার্বিক চিত্র তুলে ধরেন এবং বিদ্যুৎ বিভাগের সচিব ড. সুলতান আহমেদ বিদ্যুৎ খাতের উন্নয়নের ওপর পাওয়ার পয়েন্ট উপস্থাপন করেন।

বর্তমানে দেশের ৯৬ ভাগ মানুষ বিদ্যুৎ পাচ্ছে উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, দেশের একটি ঘরও আর অন্ধকারে থাকবে না। ইনশাআল্লাহ মুজিববর্ষে আমরা বাংলাদেশের সব ঘরে আলো জ্বালব। এ লক্ষ্য নিয়েই কাজ করে যাচ্ছি।

অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী রাজশাহীর একজন নারী উদ্যোক্তা এবং রাজশাহী প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের এক শিক্ষার্থীর সঙ্গে কথা বলেন। এ ধরনের প্রকল্প বাস্তবায়ন করায় তারা প্রধানমন্ত্রীকে ধন্যবাদ জানান। রাজশাহীর অনুষ্ঠান পরিচালনা করেন জেলা প্রশাসক মো. হামিদুল হক।

অনুষ্ঠানে রাজশাহী সিটি কর্পোরেশনের মেয়র এএইচএম খায়রুজ্জামান লিটন, জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান মোহাম্মদ আলী সরকার, বিভাগীয় কমিশনার হুমায়ুন কবীর খোন্দকার, সাবেক প্রতিমন্ত্রী জিনাতুন নেসা তালুকদার, রাজশাহী কলেজের অধ্যক্ষ হাবিবুর রহমান, নগর আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি শাহীন আকতার রেনী, সাধারণ সম্পাদক ডাবলু সরকার, রাজশাহী মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান প্রফেসর মোকবুল হোসেন প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।

মাদক, সন্ত্রাসবাদ থেকে যুব সমাজকে দূরে রাখতে সংস্কৃতির আরও চর্চা দরকার : পরে প্রধানমন্ত্রী একটি পৃথক ভিডিও কনফারেন্সে সারা দেশে গ্রুপ থিয়েটার ফেডারেশনের মাসব্যাপী নাট্যোৎসবের উদ্বোধন করেন।

উদ্বোধনী বক্তব্যে তিনি বলেন, আমরা যতবেশি সংস্কৃতি চর্চা করব ততই তরুণ ও যুব সমাজকে মাদক, সন্ত্রাস এবং জঙ্গিবাদ থেকে দূরে রাখতে সক্ষম হব। তিনি বলেন, ‘আমরা দেশকে আরও উন্নয়ন ও সমৃদ্ধির পথে এগিয়ে নিয়ে যেতে চাই এবং আমি মনে করি আমাদের তরুণ ও যুব সমাজকে খেলাধুলা এবং সাংস্কৃতিক চর্চায় অধিক হারে সম্পৃক্ত করতে পারাটা এ লক্ষ্য অর্জনে অত্যন্ত প্রয়োজনীয়।’

সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয় এবং বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমির সহযোগিতায় গ্রুপ থিয়েটার ফেডারেশন প্রায় ৪শ’ নাট্যদলের অংশগ্রহণে সারা দেশের ৬৪ জেলায় এ মাসব্যাপী ‘জাতীয় নাট্যোৎসব-২০২০’র আয়োজন করেছে।

মুজিববর্ষের প্রাক্কালে মাসব্যাপী এ নাট্যেৎসবকে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ আখ্যায়িত করে শেখ হাসিনা বলেন, ‘আমি মনে করি এর মধ্য দিয়ে আমরা বক্তৃতা করে যা বলতে না পারব বা যতটা মানুষের কাছে পৌঁছতে পারব, তারচেয়ে অনেক বেশি আপনারা সংস্কৃতিকর্মীরা এ নাট্যোৎসবের মধ্যদিয়ে পৌঁছতে পারবেন।’

প্রধানমন্ত্রী ঢাকা, সিলেট, রংপুর, রাজশাহী, চট্টগ্রামের শিল্পকলা একাডেমির সঙ্গে ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে সংযুক্ত হয়ে প্রধানমন্ত্রী ‘নুরুলদিনের সারাজীবন’সহ বেশ কয়েকটি সংক্ষিপ্ত নাটক উপভোগ করেন।

প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা এইচটি ইমাম, সংস্কৃতি বিষয়ক প্রতিমন্ত্রী কেএম খালিদ এবং সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ের সচিব অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন। অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন প্রধানমন্ত্রীর মুখ্য সচিব ড. আহমদ কায়কাউস।

বাংলাদেশ গ্রপ থিয়েটার ফেডারেশনের সভাপতি এবং শিল্পকলা একাডেমির মহাপরিচালক লিয়াকত আলীসহ বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমির ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা গণভবন প্রান্তে উপস্থিত ছিলেন।

চাকরির পেছনে না ছুটে নিজেরা উদ্যোক্তা হোন : চাকরির পেছনে না ছুটে স্বকর্মসংস্থান সৃষ্টি ও উদ্যোক্তা হিসেবে অন্যদের জন্যও কর্মসংস্থান গড়ে তোলার জন্য দেশের তরুণদের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী ও সংসদ নেতা শেখ হাসিনা।

তিনি বলেছেন, দেশের অনেক শিক্ষার্থী ও ছেলেমেয়ের মধ্যে এমন প্রবণতা রয়েছে যে, লেখাপড়া শেষ করে চাকরিই করতে হবে। কিন্তু সবাই চাকরির পেছনে ছুটবে কেন? বরং এ দেশের ছেলেমেয়েকে নিজ উদ্যোগে ব্যবসা-বাণিজ্য করে আত্মকর্মসংস্থান এবং অন্যের কর্মসংস্থান সৃষ্টির ব্যবস্থা করতে হবে। অর্থাৎ নিজেরা উদ্যোক্তা হয়ে অন্যের চাকরির ব্যবস্থা করতে হবে।

স্পিকার ড. শিরীন শারমিন চৌধুরীর সভাপতিত্বে বুধবার জাতীয় সংসদে প্রধানমন্ত্রীর জন্য নির্ধারিত প্রশ্নোত্তর পর্বে সরকার ও বিরোধী দলের সংসদ সদস্যদের একাধিক সম্পূরক প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা বলেন।

মাদক ও জঙ্গিবাদের বিরুদ্ধে সচেতনতা গড়ে তুলতে বাবা-মাসহ অভিভাবক ও শিক্ষকদের প্রতি আহ্বান জানিয়ে সংসদ নেতা বলেন, ছেলেরা কোথায় যাচ্ছে, কার সঙ্গে মিশছে, ঠিকমতো ক্লাসে যাচ্ছে কি না, মাদক ও জঙ্গিবাদে জড়াচ্ছে কি না- এসব বিষয়ে নজর রাখতে হবে।

নজিবুল বশর মাইজভাণ্ডারীর সম্পূরক প্রশ্নের জবাবে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ইসলাম শান্তির ধর্ম, বিশ্বের শ্রেষ্ঠ ধর্ম। কিন্তু ধর্মের নামে জঙ্গিবাদ সৃষ্টি করে বিশ্বের কাছে পবিত্র এই ধর্মটাকে প্রশ্নবিদ্ধ করা হচ্ছে। তবে ইসলাম ধর্মের মধ্যে ভাগ করা, কে ভালো কে খারাপ, কে প্রকৃত ইসলামে বিশ্বাসী, কে বিশ্বাসী নয়, কে সঠিকভাবে ধর্ম পালন করে বা কে করে না, কে বেহেশতে যাবে, কে যাবে না- তার বিচার তো আল্লাহই করবেন। তার বান্দারা কেন এই বিচার করবেন? কে ভালো মুসলমান, কে মুসলমান নয়- তার বিচার করার ভার মহান আল্লাহ তো কারও হাতে দেননি। তিনি বলেন, কারও ধর্মে আঘাত দিয়ে কথা বলা, অন্য ধর্মবলাম্বীদের ধর্মবিশ্বাসে আঘাত করা যাবে না। যার যার ধর্ম সেই পালন করবে।

দিদারুল আলমের সম্পূরক প্রশ্নের জবাবে শেখ হাসিনা বলেন, সন্ত্রাস, জঙ্গিবাদ ও মাদক- এই তিনটির বিরুদ্ধেই সরকার যথাযথ ব্যবস্থা নিচ্ছে। বিশেষ করে মাদক ব্যবসা, পাচার, সেবন ও বিস্তারের বিরুদ্ধে পদক্ষেপের ফলে মাদক অনেকটাই নিয়ন্ত্রণে এসেছে।

জাতীয় পার্টির সংসদ সদস্য মুজিবুল হক চুন্নুর প্রশ্নের জবাবে প্রধানমন্ত্রী বলেন, পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়গুলোয় সান্ধ্যকালীন কোর্স বাতিলের বিষয়ে রাষ্ট্রপতি নিজেই কথা বলেছেন। এ নিয়ে কোনো আইন করার প্রয়োজন নেই। বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ ও বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশনই (ইউজিসি) এ বিষয়ে ব্যবস্থা নিতে পারে।

হারুনুর রশিদের প্রশ্নের জবাবে প্রধানমন্ত্রী শিক্ষাব্যবস্থার উন্নয়নে তার সরকারের পদক্ষেপগুলো তুলে ধরে বলেন, ইংরেজি মাধ্যমে পড়ুয়া শিক্ষার্থীদের জন্য চাকরিতে আলাদা কোটা কেন রাখতে হবে? এটা রাখার কোনো প্রয়োজন আছে বলে মনে করি না।

প্রতিটি গ্রামে আধুনিক শহরের সুবিধা : সরকারদলীয় সংসদ সদস্য এম আবদুল লতিফের প্রশ্নের জবাবে প্রধানমন্ত্রী বলেন, প্রতিটি গ্রামে আধুনিক শহরের সুবিধা সম্প্রসারণের জন্য সরকার নানামুখী কর্মসূচি গ্রহণ ও বাস্তবায়ন করছে। এ জন্য গ্রামীণ সড়ক নেটওয়ার্ক গড়ে তোলা হয়েছে। দেশের সব জেলাকে রেলওয়ে নেটওয়ার্কের আওতায় আনাসহ রেলওয়েকে জনগণের কাছে নির্ভরযোগ্য ও গুরুত্বপূর্ণ গণপরিবহন মাধ্যম হিসেবে প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে বর্তমান সরকার সর্বোচ্চ প্রচেষ্টা অব্যাহত রেখেছে। বাংলাদেশের একজন মানুষও গৃহহীন থাকবে না, এটা বর্তমান সরকারের অন্যতম অঙ্গীকার।