যেসব ক্ষেত্রে মেকআপ থেকে দূরে থাকবেন

লাইফস্টাইল ডেস্ক : মনের মতো পরিপাটি করে সাজগোজ করতে কার না ভালো লাগে। তবে মেকআপ করার পাশাপাশি যদি ত্বকেরও সমান দেখভাল করতে চান, তা হলে কিছু সতর্কতাও মেনে চলতে হবে আপনাকে। এমনিতে ঘুমের সময়টুকু ছাড়া মেকআপে কোনো বাধা নেই, কিন্তু ত্বক সুস্থ রাখতে কখনও কখনও মেকআপ না করাই ভালো-

পুলে সাঁতার কাটার সময়
সুইমিং পুলের জলে ক্লোরিন থাকে যা এমনিতেই ত্বকের ক্ষতি করে দিতে পারে। একমুখ মেকআপ নিয়ে পুলের জলে নামলে সে ক্ষতি বাড়বে বই কমবে না! মেকআপের কেমিক্যালের সঙ্গে সুইমিং পুলের জলের ছোঁয়া লাগলে ত্বকে জ্বালা করতে পারে, র‌্যাশ বেরোতে পারে। সে ঝামেলা নিশ্চয়ই আপনি চান না?

জিমে যাওয়ার সময়
ব্যায়াম করে গা ঘামানোর সময় একদমই মেকআপ করে থাকা চলবে না। ঘামের সঙ্গে মেকআপ মিশে ত্বকের মারাত্মক ক্ষতি হয়ে যাবে। অল্প লিপ বাম বা অল্প কনসিলার চলতে পারে, কিন্তু ফাউন্ডেশন, ব্লাশার, হাইলাইটারের ছোঁয়া সম্পূর্ণ এড়িয়ে চলুন। ফাউন্ডেশনের সঙ্গে ঘাম মিশে মুখের রোমছিদ্র বন্ধ হয়ে গেলে মুখে ব্রণ ওঠা কেউ ঠেকাতে পারবে না!

অতিরিক্ত ব্রণ থাকলে
আপনার মুখে যদি ব্রণ ভর্তি থাকে, তা হলে একবারও ভাববেন না তা মেকআপ দিয়ে ঢেকে দেবেন! একটা দুটো ব্রণ ফাউন্ডেশন বা কনসিলার দিয়ে ঢেকে দেওয়া যায়, কিন্তু আদতে তা ব্রণ শুকোনোর প্রক্রিয়াটাকেই ঢিমে করে দেয়। আর বেশি ব্রণ থাকলে আপনার মেকআপ ব্রাশটাতেই জীবাণু সংক্রমণ ঘটতে পারে। তাই ব্রণ পুরোপুরি না শুকোনো পর্যন্ত মেকআপ এড়িয়ে চলুন।

ত্বকের ট্রিটমেন্ট চলাকালীন
লেসার দিয়ে মুখের রোম তোলার সময় বা অন্য কোনও ফেসিয়াল ট্রিটমেন্ট চলাকালীন একদমই মেকআপ করা চলবে না। তাতে সংক্রমণ হতে পারে। ট্রিটমেন্ট শেষ হওয়ার পরেও অন্তত দু’ তিন দিন এড়িয়ে চলুন সমস্তরকম মেকআপ প্রডাক্ট।

সপ্তাহে একদিন
সুস্থ থাকতে ত্বকের শ্বাস নেওয়া খুব দরকার। মেকআপ থাকলে সেটা সম্ভব নয়, তাই সপ্তাহে অন্তত একদিন সবধরনের মেকআপ এড়িয়ে চলুন। ফুল কভারেজ ফাউন্ডেশন বা পাউডার একেবারেই চলবে না। বদলে বেছে নিন বিবি ক্রিম বা টিন্টেড ময়শ্চারাইজার। ঠোঁটে লাগান লিপ বাম। তাতে মেকআপ ছাড়াই মুখ স্বাভাবিক উজ্জ্বল দেখাবে।