লিবিয়ায় যুদ্ধপরিস্থিতির অবনতি, বাংলাদেশিদের নিয়ে উদ্বিগ্ন দূতাবাস

✍ ডেস্ক রিপাের্ট
আফ্রিকার দেশ লিবিয়ার চলমান যুদ্ধপরিস্থিতির চরম অবনতি হয়েছে। বিশেষ করে রাজধানী ত্রিপলিতে যুদ্ধ ভয়াবহ রূপ নিচ্ছে। উদ্ভুত পরিস্থিতিতে বাংলাদেশিদের সুরক্ষায় উদ্বিগ্ন হয়ে পড়েছে দূতাবাস। ত্রিপলিস্থ বাংলাদেশ মিশনের জরি করা জরুরি এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে ঘটনার ভয়াবহতা তূলে ধরে প্রবাসী কর্মীদের সতর্ক থাকার পরামর্শ দেয়া হয়েছে। বলা হয়েছে- ত্রিপলীর চলমান যুদ্ধের মধ্যেও লিবিয়া প্রবাসী বাংলাদেশিদের কন্স্যুলার ও বিভিন্ন কল্যাণ মূলক সেবা নিশ্চিত করতে দূতাবাস সর্বাত্মক প্রচেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে। তবে সাম্প্রতিক সময়ে দূতাবাসের আশেপাশের এলাকার যুদ্ধ ক্রমান্বয়ে ভয়াবহ রূপ ধারণ করছে। ফলে সেবা প্রত্যাশী প্রবাসীদের নিরাপত্তা নিয়ে দূতাবাস উদ্বিগ্ন। নিরাপত্তার বিষয়টি বিবেচনায় লিবিয়ায় বসবাসরত অভিবাসীগণের ডিজিটাল পাসপোর্ট রি-ইস্যু, পাসপোর্ট ডেলিভারি, আউটপাস ইস্যু, দেশে ছুটিতে গমনের প্রত্যয়ন পত্র, পাসপার্ট হারিয়ে গেলে থানায় জিডির জন্য সার্টিফিকেট, কাগজপত্র সত্যায়নসহ বিভিন্ন কন্স্যুলার ও কল্যাণ মূলক সেবার জন্য সরাসরি দূতাবাসে আগমন না করে অধিকাংশ ক্ষেত্রে নিয়োগকর্তা/প্রতিনিধির মাধ্যমে অথবা ইমেইল, ফেইসবুকে মেসেজ ও মোবাইলে যোগাযোগের মাধ্যমে সম্পন্ন করার ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।

দূতাবাস জানিয়েছে- বিদ্যমান পরিস্থিতিতে ত্রিপলীসহ লিবিয়ার বিভিন্ন শহরে বসবাসরত প্রবাসীগণের স্ব-স্ব নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণের স্বার্থে এবং যে কোন অনাকাঙ্ক্ষিত পরিস্থিতি এড়াতে দূতাবাসে অনলাইনে সকল সেবা গ্রহণের পরামর্শ দিচ্ছে। উপরুল্লিখিত সেবাসমূহ দূতাবাসের নিম্নোক্ত মোবাইল ও ইমেইলে যোগাযোগের মাধ্যমে পাওয়া যাবে।
মোবাইল:
+২১৮৯১৬৯৯৪২০২
+২১৮৯১৬৯৯৪২০৭ (বিবিধ কল্যাণ সংক্রান্ত)
+২১৮৯১০০১৩৯৬৮ (পাসপোর্ট সংক্রান্ত)
ইমেল:
[email protected]
[email protected]
এছাড়া স্বেচ্চায় দেশে গমনের জন্য আগ্রহী প্রবাসীদের দূতাবাসের ওয়েবসাইটের নিম্নোক্ত ঠিকানায় সরাসরি অনলাইনে নিবন্ধন অথবা সকল তথ্য উপরোক্ত ই-মেইলে প্রেরণ করার জন্য অনুরোধ করেছে দূতাবাস। বিজ্ঞপ্তিতে
http://bangladeshembassylibya.com/registration.html এ যোগাযোগের পরামর্শ দেয়া হয়েছে। দূতাবাস বাংলাদেশিদের অভয় দিয়ে বলেছে, যুদ্ধ পরিস্থিতি বিবেচনায় লিবিয়াস্থ বাংলাদেশ দূতাবাস অভিবাসীর কন্স্যুলার ও কল্যাণ মূলক সেবা নিশ্চিত করতে বদ্ধ পরিকর। এ লক্ষে একটি ব্যাকআপ অফিস থেকেও দূতাবাসের কার্যক্রম সচল রাখার পদক্ষেপ নেয়া হয়েছে।