অবৈধই থেকে গেলেন হিরো আলম

hero alam

আসন্ন একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন উপলক্ষে প্রার্থিতার পক্ষে-বিপক্ষে করা আপিলের ওপর শুনানিতে হিরো আলমের আবেদন না মঞ্জুর করেছেন নির্বাচন কমিশন (ইসি)।

বৃহস্পতিবার সকাল ১০টায় ইসি ভবনে অবস্থিত ট্রায়াল রুমে শুনানি শুরু হয়। শুনানিতে মনোনয়নের বৈধতা পাননি তিনি।

এর আগে জাতীয় সংসদ সদস্য নির্বাচনে বগুড়া-৪ (কাহালু-নন্দীগ্রাম) স্বতন্ত্র প্রার্থী বর্তমান সময়ে সবচেয়ে আলোচিত আশরাফুল আলম ওরফে হিরো আলমের মনোনয়ন বাতিল করা হয়েছে। ভোটারদের জাল স্বাক্ষর দেওয়ায় অভিযোগে তার মনোনয়টি বাতিল করা হয়।

রবিবার (২ ডিসেম্বর) দুপুরে বগুড়া জেলা প্রশাসক (ডিসি) ও রিটার্নিং কর্মকর্তার কার্যালয়ে মনোনয়পত্র যাচাই-বাছাই কালে এ সিদ্ধান্ত নেন রিটার্নিং কর্মকর্তা ফয়েজ আহাম্মদ।

ফয়েজ আহাম্মদ জানান, স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে মোট ভোটারের এক শতাংশ স্বাক্ষর মনোনয়নপত্র দাখিলের সময় দেওয়ার বিধান রয়েছে। আশরাফুল আলমও তার স্বাক্ষর সম্বলিত কাগজ মনোনয়নের সাথে জমা দেন। কিন্তু তদন্ত করে দেখা গেছে তার জমা দেওয়া পত্রে কিছু স্বাক্ষর জাল রয়েছে। এ কারণে তার মনোনয়নপত্র বাতিল করা হয়েছে।

বাতিল হওয়ার পর তাৎক্ষণিক প্রতিক্রিয়ায় হিরো আলম জানান, এ সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে আপিল করবেন।

তিনি আরো বলেন, আমার ক্ষমতা নেই তাই আমারটা বাতিল করা হয়েছে। এতে আমার প্রতি অবিচার করা হয়েছে। নির্বাচনি এলাকায় মোট ভোটার সংখ্যা ৩ লাখ ১২ হাজার ৮৬ জন। সে অনুযায়ী ৩ হাজার ১শ ২১ জনের স্বাক্ষরই যথেষ্ট। কিন্তু ৩ হাজার ৫শ জনের স্বাক্ষর দিয়েছি।

দলীয় মনোনয়ন বিষয়ে হিরো আলম বলেন, আমাকে মনোনয়ন দেয়ার বিষয়ে দলের চেয়ারম্যান এরশাদ ও মহাসচিব রুহুল আমিন হাওয়ালাদার প্রতিশ্রুতি দিয়েছিল। কিন্তু পরবর্তি সময়ে দলের সিদ্ধান্তে আমাকে দেওয়া হয়নি। তার পরেও আমি হাল ছাড়িনি। স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছি। এখনও দলের চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত হয়নি। দেখি কি হয়। আমার মনোনয়ন যদি শেষ পর্যন্ত বাতিল হয় তাহলে আমি বসে থাকবো না। আমার ইমেজ কাজে লাগিয়ে যেকোনো একটি পক্ষে কাজ করবো।

তবে কোন পক্ষে কাজ করবেন তা তিনি জানাননি।